টাকা আদায়ের জন্য টর্চার সেল বানিয়েছিলেন শাহেদ

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে হু’মকি দেয়ার পাশাপাশি ঊ’র্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্র’তারণাসহ নানা ধরনের অ’পকর্ম করে গেছেন আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম। ঢাকা শহরের বাইরে চলাচলের সময় পেয়েছেন পু’লিশী নি’রাপত্তা। এমনকি অ’পকর্ম ফাঁ’স হয়ে যাওয়ার ভ’য়ে এক কর্মচারীর পুরো পরিবারকে মা’মলায় ফাঁ’সিয়ে হয়রানির অ’ভিযোগ উঠেছে।

শাহেদ করিমের প্র’তারণা বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে আগেই সত’র্কতা জারি করা হয়েছিল।

শাহেদ করিম বলেন, ‘আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর এ’পিএসের দায়িত্বে। আমার সাথে এগুলো করে কুলাইতে পারবা ভাইয়া বলোতো। যেহেতু আমি এখন একটা পজিশন হো’ল্ড করি, যদি চারটা থানায় তোমার নামে ক’ইসা মা’মলা দেই ঠিক হবে জিনিসটা।’

ভু’ক্তভো’গী আরিফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘এখন আপনি যদি মা’মলা দিতে চান দেন আ’পত্তি নেই।’

এক সময়ের ব্যক্তিগত কর্মচারী আরিফুর রহমান সোহাগকে ফোনে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে মা’মলায় ফাঁ’সিয়ে দেয়ার হু’মকি দিচ্ছেন অ’ভিযুক্ত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম।

শুধু’ই যে হু’মকি দিয়েছেন তা কিন্তু নয়। ২০ লাখ টাকা আ’ত্মসাতের অ’ভিযোগে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় ২০১৭ সালে দায়েরকৃত এক মা’মলায় আ’সামি করা হয়েছিল সোহাগ ছাড়াও তার বৃদ্ধ বাবা-মা এবং তিন বোনকেও। কিন্তু শাহেদ করিম রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার অ’জুহাতে আদালতে সাক্ষ্য দিতে না যাওয়ায় বছরের পর বছর মা’মলার ঘানি টানছে এই পরিবার।

ভু’ক্তভোগী আরিফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘সাড়ে তিন বছর ধরে এই মা’মলায় আমি ঝুলছি।’

ভুক্তভোগী আরিফুর রহমান সোহাগের মা নূরজাহান বেগম বলেন, ‘‘আমাদের নামে মা’মলা দিছে আমরা নাকি টাকা বইয়ে আনতে যাবার লাগছি।’

অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে, গত কয়েক বছর ধরে নানা পরিচয়ে অ’পকর্ম করে আসছিলেন শাহেদ করিম। সেনা ক’র্মকর্তা পরিচয়ে প্র’তারণার অ’ভিযোগ উঠায় তার বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে স’তর্কতাও জারি করা হয়েছিল।

বিভিন্ন ভিডিও এবং স্থির চিত্রে দেখা যাচ্ছে, অ’ভিযুক্ত শাহেদ করিম ঢাকার বাইরে গেলেই প্রভাব খাটিয়ে পুলিশ স্ক’ট ব্যবহার করেছিলেন। তার অফিস ক’ক্ষের ট’র্চার সেলে নি’র্যাতনের স্থির চিত্রও প্রকাশ হচ্ছে এখন।

ভু’ক্তভো’গী আরিফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘তার গাড়ি কে’লেঙ্কারি থেকে শুরু করে মেয়ে কে’লেঙ্কারি সবকিছুই আমি জানতাম। যার কারণে সে কখনোই আমাকে ছাড়তে চাই না। এছাড়াও আমাকে বলছে, আমি যদি কোথাও মুখ খুলি তাহলে আমাকে জানে মে’রে ফেলবে।’

ক’রোনার ন’মুনা পরীক্ষা না করেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অ’ভিযোগ ওঠার পর শাহেদ করিমের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রা’ম্যমাণ আদালত। তবে অ’ভিযান শুরুর আগেই শাহেদ করিম বি’দেশে পালিয়ে গেছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।