সাকিব বাদ! সাকিবের পরিবর্তে যে পেস অলরাউন্ডার দলে সুযোগ পাচ্ছে

এখন পর্যন্ত সব ম্যাচেই শক্তিশালী এবং সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। আর সেটার জন্য সাফল্যও পেয়েছে তারা।৯ ম্যাচের মধ্যে ৭টিতে জিতে টেবিলের শীর্ষে থাকার পাশাপাশি প্লে-অফে খেলাও অনেকখানি নিশ্চিত সাকিবদের। আর মাত্র একটি ম্যাচে জয় পেলে সেটাও নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের।তাই সব মিলিয়ে চাঙ্গা মনোভাব কাজ করছে হায়দ্রাবাদ শিবিরে। খানিকটা নির্ভার হয়েই বাকি ম্যাচগুলোতে খেলতে নামবে কেন উইলিয়ামসনের দল।

তবে নির্ভার হয়ে নামলেও জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে চাইবেন হায়দ্রাবাদ শিবির। কারণ টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে থাকা দুই দলেরই সুযোগ থাকে কোয়ালিফাইয়ারের জিতে সোজা ফাইনালে উঠার।তবে প্লে-অফ আগে ভাগেই নিশ্চিত হলে বেঞ্চ শক্তি পরীক্ষা করে দেখতে চাইবেন কোচ টম মুডি। সেক্ষেত্রে যদি সবুজ উইকেটে খেলা হয় তাহলে সুযোগ পেতে পারেন ক্যারিবিয়ান হার্ড হিটিং অলরাউন্ডার কার্লোস ব্রাথওয়েট।

ব্রাথওয়েটকে একাদশে নিলে সাইড বেঞ্চে বসতে হতে পারে সাকিব আল হাসানকে। তবে একে বারের জন্য নয়, দুই এক ম্যাচে বিশ্রাম পেতেই পারেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডডার।অন্যদিকে পেসার বেসিল থাম্পিকেও আরও কয়েক ম্যাচে একাদশে সুযোগ দিতে পারে হায়দ্রাবাদ শিবির। এছাড়াও রশিদ খানও বিশ্রাম পেতে পারেন।

তবে বেঞ্চ শক্তি পরীক্ষা করার মূল কারণ হলো ভবিষ্যতের ম্যাচগুলোর জন্য ব্যাকআপ ক্রিকেটার প্রস্তুত রাখা। কোন ক্রিকেটার ইনজুরিতে পরলে যেন হুট করেই তাকে মাঠে নামতে হয়।মাঠে নামার আগে দুই এক ম্যাচ খেলা অভিজ্ঞতা থাকলে ক্রিকেটারের জন্য যেমন সুবিধা তেমনি দলের জন্যও লাভবান হতে পারে। তাই সামনের ম্যাচ গুলোতে হায়দ্রাবাদ একাদশে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরো পরুন…
কে এই রহস্যময় ক্ষুদে শিশু, যে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ

নাফিউল খান। তার হাতে খেলনা থাকার কথা। কিন্তু এই বয়সেই তার নিত্য সঙ্গী ক্রিকেট বল। দারুন দক্ষতায় এরই মধ্যে বিস্ময় শিশুর খেতাব পেয়েছে। দুই বছর বয়স থেকেই টিভিতে খেলা দেখেন। জন্মের পর কিছু বুঝতে না বুঝতেই ক্রিকেট দিয়ে এখন টপ নিউজে এই বাংলাদেশি ক্ষুদে শিশু।আর সাড়ে তিন বছর বয়স থেকেই বড় ভাই সামিউলের হাত ধরে বাড়ির আঙ্গিনায় ক্রিকেটে যাত্রা নাফিউলের। কিন্তু চার বছর বয়স থেকে কোচ শাজাহান সাজুর হাত ধরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিচ্ছেন এই ক্রিকেটার।

অলরাউন্ডার হতে চাইলেও, পেস বোলিংয়েই স্বাচ্ছন্দ্য এই ক্ষুদে ক্রিকেটারের। এখনই শিখে ফেলেছেন অফ কাটার-লেগ কাটারের মতো দূর্বোধ্য কিছু অ্যাকশন। বাঁহাতি এই পেসারের রান আপ থেকে শুরু করে ল্যান্ডিং, ডেলিভারি ও যে কাউকে অবাক করবে।ভবিষ্যতে জাতীয় দলে খেলার লক্ষ্য এখনই স্থির করে ফেলেছে ছোটো নাফিউল। হতে চান মুস্তাফিজের মতো। এই ক্ষুদে ক্রিকেটারের মাঝে অনেক প্রতিভা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি এই প্রতিভাকে যেন ঝরে যেতে না হয়।

এই পেসারকে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সব রকমের সহযোগীতা করার আশ্বাস দিয়েছেন সংগঠকরা। গত দেড় বছরে প্রায় ৫০ টি ম্যাচে খেলেছে নাফিউল। বলের পাশাপাশি ব্যাটিং আর ফিল্ডিংয়েও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে এই ক্রিকেটার।নাফিউলের এই পর্যায়ে আসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিলো তার বাবা মা’র। ঠিক ভাবে নজরে রাখলে এই নাফিউলই হতে পারেন একসময়ের দেশ সেরা ক্রিকেটার। এখন দেখার বিষয় সামনের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কতদূর যেতে পারেন এই প্রতিভাবান তরুণ।