যক্ষ্ম নিয়ে ৪টি বড় ভুল ধারণা! কী বলছেন চিকিৎসকরা

যক্ষ্মর নাম শুনলেই আতঙ্ক তৈরি হয়। একদা দুরারোগ্য এই রোগ সম্পর্কে আজও অনেকের ধারণা— একবার এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধলে, তার হাত থেকে ছাড়া পাওয়া শক্ত। কিন্তু দিন দিন চিকিৎসা ব্যবস্থা যে ভাবে উন্নত হচ্ছে, তাতে এই রোগকেও বশে আনা তেন দুরূহ নয়।জেনে নেওয়া যাক এই ব্যাধি ঘিরে কী কী ভুল ধারণা মানুষ বয়ে নিয়ে চলেছে।

১) মিথ্যা — আর্থসামাজিক দিক থেকে যারা পিছিয়ে থাকা মানুষ বা এককথায় দরিদ্রদের মধ্যেই এই রোগ বেশি হয়।সত্যতা— চিকিৎসকদের দাবি, এই রোগ যে কোনও মানুষের হতে পারে। রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কম হলে এই রোগের কবলে পড়তে হয়। বৃদ্ধ ও শিশুদের এই রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। যক্ষ্ণারোগীদের সংস্পর্শে থাকলেও এই রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ।

২) মিথ্যা — বংশগত ভাবে যক্ষ্ণা বা টিবি বিস্তার নেয়।সত্যতা— বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগ মোটেই বংশানুক্রমিক নয়। একই পরিবারের দু’জনের হতে পারে এই রোগ। কিন্তু সেটা জেনেটিক কারণে ন।। মনে রাখতে হবে, টিবি একটি ছোঁয়াচে রোগ। সেই কারণেও এটি ছড়াতে পারে।

৩) মিথ্যা — অতিরিক্ত ধূমপান করলে টিবি হয়।সত্যতা— ধূমপান করলে ফুসফুসে সমস্যা হয়। কিন্তু টিবি মূলত ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন।

৪) মিথ্যা — টিবি কখনও সারে না।সত্যতা— টিবি সারানো সম্ভব। চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ সারতে একটু বেশি সময় লাগে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ওষুধের সাইড এফেক্টস-এর জন্য এবং এত সময় ধরে চিকিৎসার জন্য রোগী ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। এতেই রোগ সারে না। তাই অবশ্যই চিকিৎসা সম্পূর্ণ করা উচিত।