শুভশ্রী-মিমি-কোয়েল মল্লিকদের লেখাপড়া কতটুকু জানেন কি?

শুধুমাত্র দৈহিক সৌন্দর্য দিয়ে হয়তো নায়িকা হওয়া যায়। কিন্তু ভালো অভিনেত্রী হওয়া যায় না। ভালো অভিনয়ের জন্য সৌন্দর্যের পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞানেরও প্রয়োজন পড়ে। কলকাতার কয়েকজন অভিনেত্রী রয়েছেন যাঁরা শুধুমাত্র সুন্দরী নন, বিদ্যা বুদ্ধির দৌড়েও এগিয়ে। সৌন্দর্যের সঙ্গে জ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে হয়ে উঠেছেন অনন্য। চলুন দেখে নেই কারা রয়েছেন সেই তালিকায়-

রুক্মিণী মৈত্র: স্মার্টনেস, গ্ল্যামার, সৌন্দর্যে ভরপুর রুক্মিণী কলকাতার লোরেটো কলেজে লেখাপড়া করেছেন। সেখান থেকে স্নাতক করার পর এমবিএ সম্পন্ন করেন টলিউডের এই নতুন নায়িকা।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত: টলিউডের এই রানী কলকাতার ‘লেডি ব্রেবর্ন’ কলেজের ইতিহাসে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।

পায়েল সরকার: পায়েল সরকারও ইতিহাসের ছাত্রী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক করেন এই অভিনেত্রী।

পাওলি দাম: কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজের রসায়ন বিদ্যার ছাত্রী পাওলি দাম। পরবর্তীকালে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর করেন তিনি।

স্বস্তিকা মুখার্জী: কলকাতার অভিনেত্রীরা যেন ইতিহাসপ্রেমী। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে লেখাপড়া করেছেন।

মিমি চক্রবর্তী: আশুতোষ কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক সম্পন্ন করেন মিমি।

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: সায়ন্তিকা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

নুসরাত জাহান: কলকাতার ভবানীপুর কলেজ থেকে বিকম ডিগ্রী নিয়ে পাশ করেন নুসরাত।

কোয়েল মল্লিক: কোয়েল কলকাতার গোহালি মেমরিয়াল কলেজ থেকে ‘মনোবিদ্যায়’ স্নাতক সম্পন্ন করেন।

শুভশ্রী গাঙ্গুলি: দুই দুটি বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন শুভশ্রী। লখনৌতে অবস্থিত ‘ইণ্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট’ থেকে ব্যবসা শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি।