১৩ই অগাস্ট নিষেধাজ্ঞা শেষ আশরাফুলের, কিন্তু তার আগেই বড় ধরণের দুঃসংবাদ পেলেন তিনি!

গত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) আসরে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে সর্বোচ্চ ৫টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।ব্যাট হাতে এরূপ পারফর্মেন্সের পর এবার আশরাফুল আশা করছিলেন চলতি বছরের বিপিএলে সুযোগ পাওয়ার। কেননা আগামী ১৩ই অগাস্ট সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে তাঁর। ফেরার উপলক্ষ হিসেবে বিপিএলকেই পাখির চোখ করেছিলেন টাইগারদের সর্বকনিষ্ঠ এই সেঞ্চুরিয়ান।

আরবিপিএলের আগে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করার মিশনেও মাঠে নেমেছিলেন আশরাফুল।এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদেরকেও তিনি বলে ছিলেন,‘ব্যাটিং ভালো হচ্ছে। আর এখন যেহেতু খেলা নেই, সুতরাং পুরোপুরি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রস্তুত হতে চাচ্ছি। আশা করি এবারের বিপিএলে খেলতে পারবো। আর এখন আমি বিপিএলের জন্য পুরোপুরি কাজ শুরু করবো।’

নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করতে বোর্ডের ট্রেইনারদের সাথেও কাজ করবেন আশরাফুল বলে জানিয়েছেন। এটাকেই মূল লক্ষ্য হিসেবে আখ্যা দিয়ে সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক বলেন,‘মাঝখানে তিন চারটি মাস যেহেতু আমাদের কোনো ক্রিকেট নেই চেষ্টা করবো শারীরিক দিক থেকে ফিট থাকতে, স্কিল ট্রেনিংও করবো। ক্রিকেট বোর্ডের ট্রেনারদের সাথে কাজ করবো। এটাই মূল লক্ষ্য।’

কিন্তু দুঃসংবাদ এসে হাজির হলো আশরাফুলের মাথার উপর।আগামী ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পেশাদার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৬ষ্ঠ আসর বসছে না। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্বাচনের পরে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে মাঠে গড়াতে পারে ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট।

যদিও বিসিবির সব শেষ সভায় সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই বিপিএল-এর এবারের আসর বসছে। সেজন্য সম্ভাব্য তারিখও (৫ অক্টোবর-১৬ নভেম্বর) নির্ধারণ করেছিল বিসিবি।কিন্তু নির্বাচনের দুই মাস আগে দেশের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ক্রিকেট বোর্ড।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, নির্বাচনের আগে সাতটি দলকে নিরাপত্তা দেওয়া ও তিনটি ভেন্যুতে খেলা চালানো খুবই কঠিন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা যদি না পাই নির্বাচনের পরে আয়োজন করব। জানুয়ারির দিকে হতে পারে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে হতে পারে বিপিএল-এর ৭ম আসর।