সাদ্দাম, গাদ্দাফি, নাজিব রাজাক কেউই শুনেনি, শুনবেনা শেখ হাসিনা ও

সাদ্দাম, গাদ্দাফি, নাজিব রাজাক কেউই শুনেনি, শুনবেনা শেখ হাসিনা ও।
দেশে হঠাৎ করে মাদকবিরোধী অভিযান বেশ জোরেশোরে শুরু হয়েছে। এই বেছে বেছে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা কে দিচ্ছে? পুলিশ প্রধান? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী? না অন্য কেউ?

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে সম্ভব নয়, এই নির্দেশনা এসেছে তারও উপর থেকে …অর্থাৎ সকলক্ষেত্রেই হুকুম দাতা একেও অভিন্ন।
এই অভিযান ভালো না মন্দ এই বিষয় নিয়ে সবাই সতর্ক এবং সন্দিহান।
অবস্য এর কারণ ও আছে বিস্তর –যেমন :

দেশের আনাচকানাচে মাদকের ছড়াছড়ি। গত দশ বছরে তা ব্যাপক হারে বিস্তৃতি লাভ করেছে, তাহলে এখনই মাদক নিয়ন্ত্রণের কথা মনে পুড়লো কেন?

বিএনপি গত দশ বছর যাবত্ পালিয়ে বেড়াচ্ছে বা মামলায় জর্জরিত হয়ে আদালত পাড়ায় নিয়মিত ধর্না দিচ্ছে, মাদকের ব্যবসা কিংবা সব আওয়ামীলীগ নেতা -সন্তান ও মাস্তানদের হাতে, নির্বাচনের পাচ মাস আগে এই মাস্তানদের দমন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলো কেন?

বাংলদেশ ব্যাংক রিজার্ভ, পদ্মা সেতু, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ইত্যাদি খাতে লক্ষ কোটি টাকা চুরি করে আওয়ামীলীগ এখন নির্বাচনের পুর্ব মুহুর্তে জাতি উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করছে, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে, তাহলে রহস্যটি কোথায়?আর এই চিন্হিত মাদক ব্যবসায়ীদের আদালতে না দিয়ে হত্যা করতে হচ্ছে কেন? উদ্দেশ্যে টা কি?

এই বিষয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তার মতামত উল্লেখ করছি – এই হত্যাকাণ্ড গুলো মূলত: কিছু সরকারি পোশাকধারী কিলার বা খুনি তৈরি করতে পরিকল্পিত ভাবে করা হচ্ছে। গত নির্বাচনের পুর্বেও র্র্যাবে এই ধরনের কিলার তৈরি করা হয়েছিল পরে তাদের কারো কারো উপর সমগ্র হত্যাকাণ্ডের দায়ভার চাপিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তার বিবেচনায়, যখন কাউকে দিয়ে কোন হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করা হয়, তখন তার কাছে অন্যান্য হত্যাকাণ্ড গুলো বৈধ মনে হয়। আর এখেত্রে সরকার কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর সংখ্যাকে সামনে নিয়ে এসে এইসব হত্যাকাণ্ডের যুক্তিযুক্ততা তুলে ধরে। হত্যাকারী তখন নিজেও জানে না তাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কারো বিরুদ্ধে ৫০টা মামলা থাকা বিচিত্র কিছু না।সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আছে। খুজলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও কয়েক ডর্জন মামলা পাওয়া যাবে, না পেলে সমস্যা নেই, করতে ২৪ ঘন্টাই যথেষ্ট, নিয়ন্ত্রণ পুলিশ আর কুক্ষিগত আদালত বলে কথা।

এই কর্মকর্তা, যারা এই হত্যাকাণ্ড গুলোতে নিজেদের জড়াচ্ছেন, তাদের নিজ নিজ বাহিনীর বিপদে পড়া পুর্ববর্তী কর্মকর্তা ও সদস্যদের কথা স্বরন করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি মতিউর রহমান রেন্টুর ” আমার ফাসিঁ চাই ” বইটি পড়ার এবং যদি তা ও না পাওয়া যায় তবে এডভোকেট তুরিন আফরোজের বিখ্যাত বানী স্বরন করার অনুরোধ জানিয়েছেন। যেখানে তুরিন আফরোজ বলেছেনঃ” আওয়ামীলীগ আমাকে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলেছে। ”

amardesh247.com