কলকাতার হারের কারণ একা রশিদ নয় আরো যত কারণ ছিল পড়ুন

নাইটপ্রেমীরা মুখিয়ে ছিল শুক্রবারের সন্ধেটা হবে অন্য রকমের। ইডেনে ‘সূর্যোদয়’ হতে দেবেন না ডিকে-রা। খেলা শুরু হতেই গোটা ইডেন তখন কাঁপছে ‘নাইট…নাইট’ ধ্বনিতে। কিন্তু সেই ধ্বনি নিমেষেই থামিয়ে দিল রশিদ খানের ব্যাটিং, বোলিং আর দুর্দান্ত ক্যাচ। ‘সূর্যোদয়’ হল ইডেনে। হারল নাইটরা। কেন হারল নাইটরা? দেখে নেওয়া যাক কয়েকটি কারণ।

টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তই কাল হল নাইটদের পক্ষে। রান তাড়া করাতে সাফল্যের হার ভাল হলেও, শুক্রবারের ম্যাচে কিন্তু সেটা সফল হয়নি।

সানরাইজার্সের স্ট্রং বোলিং লাইন আপ-ই নাইটদের ভিত নড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল। ম্যাচটায় প্রধান পার্থক্য হয়ে দাঁড়াল শেষের দিকে ব্যাট করতে এসে রশিদের ১০ বলে ৩৪। ইনিংসে দু’টো চার, চারটে ছক্কা।

কেকেআরের বিরুদ্ধে একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছেন রশিদ খান। ব্যাটিং তো বটেই, বোলিংয়েও বেগ দিয়েছে আন্দ্রে রাসেলদের। তাঁর চার ওভারে ১৯ রান এবং গুরুত্বপূর্ণ দু’টি ক্যাচই নাইটদের হারের অন্যতম কারণ।

সানারাইজার্স অধিনায়ক প্ল্যান করে রশিদকে সপ্তম ওভারে আনার পর থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। আন্দ্রে রাসেলের মতো পাওয়ারহিটারকে শর্ট লেগ ও স্লিপ দিয়ে ঘিরে দেওয়ায় স্তব্ধ হয়ে যায় নাইটের রানের গতি। মারতে গিয়ে শেষমেশ স্লিপে খোঁচা দিয়ে আউট হয়ে যান। ওখানেই বড় ঝটকা আসে নাইটদের।

শুভমন গিলের মতো এক জন সপল ব্যাটসম্যানকে দেরিতে নামানোর মূল্য চোকাতে হল। তিন বা চার নম্বরে পাঠালে হয়ত ম্যাচ ভাগ্যটা ঘুরে যেতে পারত।

ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়ে রবিন উথাপ্পার রিভার্স সুইপ মেরে রশিদের বলে আউট হওয়াটাও ম্যাচের একটা টার্নিং পয়েন্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই সময়ে এমন ঝুঁকি না নেওয়াই উচিত ছিল উথাপ্পার।