পুরনো প্লেয়ার সাকিবের অসাধারন পারফরমেন্স দেখে রাগান্বিত কন্ঠে যা বললেন শারুখ খান

২০১৬ সালে প্রথমবারের মত অাইপিএল-এ খেলেছিলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। ওই মৌসুমে সানরাইজ হায়দ্রাবাদ কে চ্যাম্পিয়ন করার পিছনে অনেক অবদান ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। এক বছর পর আবারো ফাইনালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবার সানরাইজ হায়দ্রাবাদের ফাইনালে উঠানোর পিছনে অনেকটাই অবদান বেশি সাকিব আল হাসানের। ব্যাট এবং বল দুই বিভাগেই যেন এবারের আইপিএলের জ্বলে উঠেছে সাকিব।গতকাল ব্যাট হাতে ২৮ রানের পাশাপাশি বল হাতে তিন ওভারে ১৬ রান এর বিনিময়ে ১ উইকেট লাভ করেছেন তিনি। যে উইকেট কলকাতা নাইট রাইডার্স এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিনায়ক দীনেশ কার্তিকের।

১৭৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই তান্ডব শুরু করেন সুনীল নারিন। ১৩ বলে ২৬ রান করা সুনিল নারাইনকে আউট করেন সিদ্ধার্ত । এরপর রানাকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় ক্রিস লিন। সাকিব আল হাসানের বলে রান আউট হয়েছিলেন রানা। দলীয় ৯৩ রানের মাথায় রবিন উথাপ্পা কে আউট করেন রাশেদ খান।এরপরে ঘুরে দাঁড়ায় সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই এসে উইকেটের দেখা পান সাকিব আল হাসান। অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক কে ক্লিন বোল্ড করেন সাকিব।

সাকিব ৩ ওভার বোলিং করে ১৬ রানে একটি উইকেট লাভ করেছেন। তবে এদিন বলা হতে আরও বিধ্বংসী আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান।৪ ওভারে ১৯ রানে নিয়েছেন তিনটি উইকেট।ইডেন গার্ডেনে ‘কোয়ালিফায়ার টু’ ম্যাচটিতে ওপেনিংয়ে ঋদ্ধিমান আর শেখর ধাওয়ান খারাপ করেননি। ধাওয়ান ২৪ বলে ৩৪ রান করে আউট হন। ঋদ্ধিমান করেন ২৭ বলে ৩৫। এরপর দলের প্রয়োজনে দারুণ একটি ইনিংস খেলেছেন সাকিব। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৮ রান করে নন-স্ট্রাইকিং এন্ডে থেকেও দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।

পরের সময়টায় আরও কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বেশ বিপদে পড়ে গিয়েছিল হায়দরাবাদ। দেড়শ করাই কঠিন হয়ে পড়েছিল একটা সময়। শেষদিকে এসে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সমর্থকদের হতাশা কাটিয়ে দিয়েছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান।বোলিংয়ে বিখ্যাত হওয়া এই লেগস্পিনার পুরোদুস্তোর ব্যাটসম্যান হয়ে দলকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দিয়েছেন। মাত্র ১০ বলে ২ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় হার না মানা ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।কলকাতার পক্ষে ৪ ওভারে ২৯ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন কুলদ্বীপ যাদব।

এদিকে সাকিব একটু দুষ্টমি করে খুচা দিয়ে বলেন,কলকাতা বরাবরের মতই ভাল খেলেছে, তবে শারুখ ভাইয়ের দলে দায়িত্ববান কোন ব্যাটসম্যান নাই এটাই হলো শারুখ ভাইয়ের কলকাতার মাইনাস পয়েন্ট।আমী চেষ্টা করেছি আমার শতভাগ দেওয়ার জন্য ইনশাআল্লাহ আমরা সফল ও হয়েছি।শারুখ ভাইয়ের কাছে দোয়া চাই ফাইনালে যেন আমরা ভাল খলেওতে পারি।কাপ নিয়ে বাড়িতে যেতে পারি হাহাহা।

তার জবাবে একটু রাগান্মিত হয়ে শারুখ খান বলেন সাকিব সাকিবের গতিতে খেলেছে কলকাতা কলকাতার গতিতে খেলেছে,আমাদের ছেলেরা বাজে খেলেছে আমি সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি জয় উপহার দিতে না পেরে।তবে এটা মানতে সাকিব বিশ্ব-মানের খেলোয়ার তাছারা তাদের দলে আছে আরেক বিশ্ব-সেরা স্পিনার রশিদ খান।যে কিনা গতকাল সাকিবের চেয়ে পারফরমেন্সে তুঙ্গে ছিল।এই দু’জন এর ব্যটে-বলের কঠিন আঘাতে কলকাতা পরাস্থ হয়েছে।তাছারা সাকিব আমার দলের দুইবার ফাইনাল প্লেয়ার ।সে ভাল করে ই যানে আমাদের কে কিভাবে পরাস্থ করতে হয়,সে আবারো প্রমান করে দিল যে কিভাবে একটা দলকে ফাইনাল মঞ্চে নিয়ে যেতে হয়।শুভ কামনা রইলো টিম হায়দ্রাবাদ এবং বেঙ্গল টাইগার সাকিবের জন্য।