“জাতিকে হুইল চেয়ারে বসালেন না ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়া” – জাহিদ এফ সরদার সাদী |

কারাবন্দি অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তার গাড়িবহরে ঢল নামে নেতাকর্মীদের।পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনি ভেঙে হাসপাতালের গেটে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে যোগ দেয় নেতাকর্মীরা। এসময় স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে পিজি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এলে খালেদা জিয়ার জন্য হুইল চেয়ার প্রস্তুত রাখা হয়।হুইলচেয়ারে করে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হচ্ছে এমনটাই মিডিয়ায় খবর ছরিয়ে পরে।খালেদা জিয়ার জন্য হাসপাতালের ৫১২ নাম্বার কেবিনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছিল পুলিশের একটি সূত্র এবং হাসপাতালের ৫১২ নাম্বার কেবিন থেকে রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে তাকে নেওয়া হবে এক্স-রের জন্য এমনটাই জানিয়েছিল সংশ্লিষ্ট সূত্র। শনিবার সকাল থেকেই হাসপাতালে দেখা যায় নানা ধরনের প্রস্তুতি চলছে।কিন্ত বেগম জিয়া হাসপাতালে পৌঁছানোর পর হুইল চেয়ারে না বসেই গাড়ি থেকে নেমে পাঁয়ে হেঁটে লিফটের পথ ধরেন।এদিকে খালেদা জিয়ার এমন আপোষহীনতার কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা উল্লাসে মেতে উঠেন। তাদের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক বৈদেশিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির বিশেষ দূত জাহিদ এফ সরদার সাদী হলেন অন্যতম।

তিনি নিজের ফেসবুক পেইজে এ বিষয়ে পোস্ট দিতে গিয়ে লিখেছেন-“জাতিকে হুইল চেয়ারে বসালেন না ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়া।

পিজি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এলে দেশমাতা খালেদা জিয়ার জন্য হুইল চেয়ার প্রস্তুত রাখা হয়। তবে কালো গাড়ি থেকে নেমে পাঁয়ে হেঁটেই লিফটের পথ ধরেন আপোষহীন এই জলন্ত আগুন আমাদের ‘গণতন্ত্রের মা’।

গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে হাসি মুখে ভালোবাসার জলন্ত আগুন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আবার কারাগারে ফিরে গেলেন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া।”

তিনি আরও বলেন আপোষহীন দেশমাতা কখনই আপোষ করেননি। তিনি গণতন্ত্র রক্ষার দাবীতে বরাবরই অটল ছিলেন এবং থাকবেন আজীবন। সেটা বাংলাদেশ দেখেছে সেই ১৯৮৬ সাল থেকে আজ অবধি। পরিস্থিতি যাই হোক ‘গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়া তার নীতিতে অটল থাকেন। তার এই আপোষহীন চরিত্র সত্যিই নেতাকর্মীদের কে শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও সম-অধিকার বাস্তবায়নে যুগ যুগ দরে ভূমিকা রাখবে।