প্রেমিককে বাঁচাতে হাসপাতালেই প্রেমিকা মুছল দাম্পত্যের প্রমাণ! স্বামীর সামনেই এই মহিলা যা করল…

হুগলির ধনেখালির দেধারা গ্রামের পূজা দাসের সঙ্গে মান্তু দাসের দীর্ঘ দিনের প্রেম। গত শনিবার পুড়শুড়ার কেলেপাড়ার বাসিন্দা হেমন্ত ভৌমিকের সঙ্গে বিয়ে হয় পূজার। চাষবাস করেই দিন গুজরান হয় হেমন্তের।

প্রেমিককে বাঁচাতে হাসপাতালেই প্রেমিকা মুছল দাম্পত্যের প্রমাণ! স্বামীর সামনেই এই মহিলা যা করল প্রেম ছিল দীর্ঘদিনের। কিন্তু কোনওভাবেই পরিণতি পাচ্ছিল না সেই সম্পর্ক। পথের কাঁটা হচ্ছিলেন প্রেমিকার স্বামী। তাই নিজেই বিষ খেলেন প্রেমিক।

আর সেই খবর শুনে প্রেমিককে দেখতে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন প্রেমিকা। এখানেই শেষ নয়, হাসপাতালে প্রেমিকের বেডের সামনে দাঁড়িয়েই হাতের শাঁখা পলা খুলে স্বামীর হাতে ধরিয়ে দিলেন ওই মহিলা। তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতাল সাক্ষী থকল অনন্য এক প্রেম কাহিনীর।

হুগলির ধনেখালির দেধারা গ্রামের পূজা দাসের সঙ্গে মান্তু দাসের দীর্ঘ দিনের প্রেম। গত শনিবার পুড়শুড়ার কেলেপাড়ার বাসিন্দা হেমন্ত ভৌমিকের সঙ্গে বিয়ে হয় পূজার। চাষবাস করেই দিন গুজরান হয় হেমন্তের। কিন্তু পূজার বিয়ে মন থেকে মেনে নিতে পারেননি মান্তু, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। বৃহস্পতিবার নিজের বাড়িতেই বিষ খান তিনি। তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মান্তুকে। খবর পেয়ে স্বামীকে নিয়েই তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ছুটে যান পূজা।

মান্তুর বেডের সামনে দাঁড়িয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন পূজা। চিকিত্সক নার্স সকলের সামনেই নিজের মনের কথা স্বামীকে খুলে বলেন পূজা। সঙ্গে খুলে দেয় নিজের হাতের শাঁখাও। এরই মধ্যে মান্তুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ভালোবাসাকে বাঁচাতে এখন ভালোবাসার সঙ্গেই কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পূজা।-জিনিউজ