গভীর রাতে হাসপাতাল থেকে ছাত্রদলের সাবেক নেতা মারজুককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারজুক আহমেদকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে রাজধানীর শ্যামলীর শিশু হাসপাতালের গেট থেকে ডিবি পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায়।

পরিবার জানিয়েছে, বুধবার বিকাল পর্যন্ত মারজুকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে তার পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, গ্রেফতার করা হলে তাকে কোর্টে হাজির করা হোক।

মারজুক আহমেদ অতীতের সব আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। অনেক মামলাসহ নানা সময়ে নির্যাতনের শিকার এই ছাত্রনেতা।

মারজুকের পরিবারের একজন সদস্য জানান, মারজুকের ছোট ভাইয়ের ছেলের নিউমোনিয়া ধরা পড়েছে।  মুমূর্ষু অবস্থায় রাতে শ্যামলীর শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভর্তির কার্যক্রম শেষ করে রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় গেট থেকে তুলে নেওয়া হয়।

এ সময় ১২ থেকে ১৫ জন সাদা পোশাকে ছিলেন। ডিবির এসআই পরিচয় দিয়ে একজন মারজুকের ভাইকে বলেছেন, ‘বড় স্যার মারজুকের সঙ্গে কথা বলবেন, ভয়ের কিছু নেই’।  এরপর থেকে ডিবি কার্যালয়, পার্শ্ববর্তী থানাসহ আরও বিভিন্ন থানায় খোঁজ নিতে গেলে মারজুককে গ্রেফতারের কথা কেউ স্বীকার করেননি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার এক ভাই জানান, মারজুককে গ্রেফতার করা হলে স্বীকার করুক। এ নিয়ে চিন্তায় পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অবিলম্বে তাকে কোর্টে হাজির করার দাবিও জানান তিনি।