আরো একটি অধ্যায় বাকি, মনে করিয়ে দিলেন ওয়ার্নার

গতকাল সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ দিয়ে ১৩ বছরের বর্ণাঢ্য টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন অস্ট্রেলিয়া ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। অবশ্য এই টেস্ট শুরুর আগে ওয়ানডে থেকেও অবসরের ঘোষণা দেন তিনি। তবে দল চাইলে ২০২৫ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবেন ওয়ার্নার।

টেস্ট ও ওয়ানডের পালা শেষ হলেও, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাবার ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন ওয়ার্নার। আগামী জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে ২২ গজে নামার বিষয়টা আরো একবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে মনে করিয়ে দিয়েছেন ওয়ার্নার।

সিডনি টেস্টে ব্যাটিং শেষে মাঠ ছাড়ার ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছেন ওয়ার্নার। তিনি লিখেছেন,‘দু’টি অধ্যায় শেষ হয়েছে এবং একটি এখনো বাকি। ধন্যবাদ ছাড়া আমার আর কিছ্ইু বলার নাই। সবাইকে ভালোবাসি।’

দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ২০১৫ ও ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন ওয়ার্নার। ২০২১ সালে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন তিনি। ওই আসরে ২৮৯ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ওয়ার্নার।

২০১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিজবেনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নামেন ওয়ার্নার। অভিষেকের পর ১৩ বছরের বর্ণাঢ্য টেস্ট ক্যারিয়ারে ১১২ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২০৫ ইনিংসে ২৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪৪ দশমিক ৫৯ গড়ে ৮৭৮৬ রান করেছেন ওয়ার্নার। টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ওয়ার্নার। তবে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার হিসেবে সর্বোচ্চ রানের মালিক তিনি।

ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৫৭ রানে আউট হন ওয়ার্নার। ৮ উইকেটের জয়ে টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করেন তিনি। ম্যাচ শেষে গতকাল ওয়ার্নার বলেছিলেন,‘ক্যারিয়ার রোমাঞ্চকর ও বিনোদনদায়ী। যেভাবে খেলেছি, তাতে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি বলে বিশ্বাস করি এবং আশা করি তরুণরা আমাকে অনুসরণ করবে। সাদা বল থেকে টেস্ট ক্রিকেট, এটাই আমাদের খেলার শীর্ষে। এজন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং লাল বলের ক্রিকেট খেলতে হবে। কারণ, এটাই সবচেয়ে মজার।’

সূত্র : বাসস