আইপিএলের পরের আসরে মুস্তাফিজ দলে থাকবে কিনা সরাসরি জানিয়ে দিলেন রিকি পন্টিং!

আগামী আইপিএলে মুস্তাফিজ দলে থাকবে কিনা সরাসরি জানিয়ে-দিল্লি ক্যাপিটালস আইপিএল ২০২২ জেতার বিষয়ে অন্যতম ফেভারিট হিসাবে টুর্নামেন্ট শুরু করে৷ তবে, দলটি পুরো মরশুম জুড়ে অসংলগ্ন পারফরমেন্স করে৷ অবশেষে,তারা ১৪ ম্যাচে ৭টি জয় নিয়ে পয়েন্ট

টেবিলের পঞ্চম স্থানে শেষ করে। এমনকি যদি তারা তাদের শেষ লিগ খেলায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারাতে সক্ষম হত, তাহলে ঋষভ পন্থের দল আইপিএল ২০২২ প্লে অফের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতো। তবে তেমনটা কিছুই হয়নি। চতুর্থ দল হিসেবে শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্বে খেলা দিল্লি এই মরশুমে জয়ের ধারা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। যাই হোক, অনেকে এটাও বলতে পারেন যে মরশুমের শুরুতে বেশ কিছু বড় বিদেশী নামের অনুপস্থিতি এবং সমস্যা দিল্লি দলের পারফরম্যান্সকেও প্রভাবিত করেছে।

তবে রিকি পন্টিং এবং বাকি টিম ম্যানেজমেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ২০২৩ সংস্করণের আগে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। দিল্লি ক্যাপিটালস তাদের আইপিএল ২০২২ স্কোয়াড থেকে এবার তারা নিম্নলিখিত তিনটি নাম ছেঁটে ফেলতে পারে।

নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার টিম সেফার্ট দিল্লি ক্যাপিটালস প্লেয়িং ইলেভেনে নিজের জায়গা পাকা করাটা নিশ্চিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন।আসলে সেই সময় দিল্লি দলের বাইরে ছিলেন অজি তারকা ডেভিড ওয়ার্নার। তবে সেই সুবর্ণ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি এই কিউয়ি ব্যাটার।

সিফার্ট দিল্লির হয়ে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলে ১২ গড়ে ২৪ রান করেন। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৬.৩১, কিন্তু যেহেতু তিনি বড় রান করতে পারেননি, তাই তাকে বাদ দেওয়া হতে পারে পরের মরশুমে। মনদীপ সিং হলেন অন্য আরেকজ্জন খেলোয়াড় যিনি দিল্লির হয়ে টপ অর্ডারে ব্যাট করতে থাকা অর্ডারে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি। তিনি তিনটি ম্যাচ খেলে ছয় গড়ে ১৮ রান করেছেন।

তার স্ট্রাইক রেট ছিল ৭৮.২৬, যেখানে তিনি তিন ইনিংসে দুবার শূন্য রানে আউট হন। আর এই সব কিছুকে মাথায় রেখেই আগামী মরশুমে তাকে বাইরের রাস্তা দেখিয়ে দিতে পারে দিল্লি। কেএস ভরত গত মরশুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কিন্তু এই মরশুমে বেশিরভাগ ম্যাচেই তাকে বেঞ্চে বসে কাটাতে হয়। আগামী মরশুমে তিনি অন্য কোন দলে চলে গেলে হয়তো প্রতি ম্যাচে সুযোগ পাবেন আর তাই বেঞ্চ গরম করার পরিবর্তে নিয়মিত খেলাটাই আখেরে লাভবান করবে ভরতকে। তবে মুস্তাফিজকে আপাত বাদ দেবার ইচ্ছা নাই বলে জানান টিম ম্যানেজমেন্ট ও রিকি পন্টিং। এবং পরবর্তীতে আলোচনার সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে এমনটাই জানা গেছে।