শতকরা ৯৫ জনই বলবেন এমপি বদির মাধ্যমেই বাংলাদেশে ইয়াবা আসছে : স্থানীয় আ’লীগ নেতা

মাদক নির্মূল অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রতি রাতেই ৮-১০ জন মারা যাচ্ছেন। অথচ যাকে নিয়ে শুরু থেকে আলোচনা, সেই আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। বদি কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়া এলাকার এমপি।

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কী বলব, আপনারা টেকনাফ থানার ওসি আর বিজিবির এই ব্যাটেলিয়নের কমান্ডারের সঙ্গে কথা বলেন, তারাই বলে দেবে বাংলাদেশে ইয়াবা কে এনেছে।

এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এমপি আছেন বদি। আমরা দেখি যারা ইয়াবা আমদানির মূল কারিগর, তারা সবাই এমপি’র আশেপাশে থাকে। আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকে। এমপি তাদের শেল্টার দেন। তাহলে মানুষ কী বুঝবে? আপনারা টেকনাফে এসে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। শতকরা ৯৫ জনই বলবেন এমপি বদির মাধ্যমেই ইয়াবা এসেছে বাংলাদেশে৷ মূল হোতাদের এখন এলাকায় দেখছিই না।

মাদকবিরোধী অভিযানের আগে পাঁচটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সমন্বয়ে মাদক ব্যবসায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের একটি তালিকা তৈরি করে সরকার। সেই তালিকায় মাদকের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছে আব্দুর রহমান বদির নাম।

এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকায় এক নম্বরে আছে বদির নাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা টেকনাফের শীর্ষ মানব পাচারকারীর তালিকাতেও বদির নাম ছিল। দেশে মাদক ইয়াবার গডফাদার ও ব্যবসায়ীর তালিকায় টানা ১০ বছর ধরে ছিল বদির নাম।

এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বদির বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষী আমরা পাইনি। শুধু নাম থাকলে তো চলবে না। প্রমাণ করতে হবে যে তিনি অপরাধী। আমরা তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাইনি। প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেব।

HOME