মাথায় হাত রিকি পন্টিংয়ের! পেলেন মোস্তাফিজকে না খেলানোর ফল

মাথায় হাত-আইপিএলের প্লে-অফে উঠতে একটি সহজ সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। কিন্তু সহজ সেই সুযোগ হাতছাড়া করেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। গতকাল নিজেদের শেষ ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে দিল্লি। দিল্লির পরাজয় কারণে প্লে-অফে উঠে গেছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৬০ রানের। ৫বল হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রোহিত শর্মার দল। মুম্বাইর জয়ের কথাই ছিল না এক সময়। কিন্তু দলটির সিঙ্গাপুরিয়ান বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান মারকুটে ব্যাটার টিম ডেভিড যেন সংহারমূর্তি ধারণ করেছিলেন।

মাত্র ১১ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয়ের রাস্তায় নিয়ে আসেন। ২টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার মারেন তিনি। ১৮তম ওভারে এসে আউট হয়ে গেলেও মুম্বাইর জয় পেতে আর কষ্ট হয়নি। বরং, ৫ উইকেট ও ৫ বল হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।

জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামার পর মাত্র ২ রান করে আউট হন রোহিত শর্মা। অথচ, ১৩টি বল খেলেন তিনি। ৩৫ বলে ৪৮ রান করে আউট হন ইশান কিশান। ৩টি বাউন্ডারি এবং ৪টি ছক্কার মারেন তিনি।

ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ৩৩ বলে খেলেন ৩৭ রানের ইনিংস। ১টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৩টি ছক্কার মার মারেন তিনি। ৬ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রামানদিপ সিং। অ্যানরিখ নরকিয়া এবং শার্দুল ঠাকুর নেন ২টি করে উইকেট। নরকিয়া ৪ ওভারে দেন ৩৭ রান। শার্দুল ঠাকুর ৩ ওভারে দেন ৩৩ রান।

জয় দিয়েই আইপিএল শেষ করলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাদের পয়েন্ট দাঁড়ালো ৮। চেন্নাইয়ের পয়েন্টও ৮। তবুও মুম্বাই থাকলো ১০ নম্বরে। রানরেটে পিছিয়ে তারা। হারের ফলে দিল্লির পয়েন্ট ১৪। আগেই ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিল ব্যাঙ্গালুরু। দিল্লির হারের ফলে ব্যাঙ্গালুরুই সেরা চারে থেকে গেলো। তবে এই ম্যাচে মোস্তাফিজ খেললে হয়তো ম্যাচের ফলাফলটা অন্য হতে পারত।