বিধবার গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু!

বিধবার গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু সাতক্ষীরার আশাশুনির বড়দলে এক বিধবা নারীর গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত (১০ই মে) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে একটি সুত্র।তবে অবৈধ সম্পর্কের বিষয় কিছুদিন আগে এলাকায় জানাজানি হলে ঐ নারীর পক্ষে আশাশুনি থানায় তার ছেলে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর ঐ নারীকে আর এলাকায় দেখা যায়নি বলে জানান স্থানীয়রা। তবে প্রায় পনের দিন পর গভীর রাতে লাশ হয়ে পিতার বাড়ী আনুলিয়াতে ফিরেছেন ঐ নারী।

অনুসন্ধানের জানা গেছে, বিভিন্ন কৌশলে বিধবাকে রাজী করে তারা দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। একপর্যায়ে বিধবা অন্তসত্তা হয়ে পড়েন। লোক লজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে কেটে যায় ৬ মাস। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে ভিক্টিমের ছেলে মেয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে আশাশুনি থানায় অভিযোগ করে। এরপর বিধবকে ঐ রাতেই অবৈধ গর্ভপাত ঘটানোর জন্য আত্মগোপনে নিয়ে যাওয়া হয়। সব মিলিয়ে দীর্ঘ দশ থেকে পনের দিন পর গত ১০ মে গভীর রাতে বিধবা তাছলিমা খাতুন সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে লাশ হয়ে পিতার বাড়িতে ফিরে আসে।

বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান জগদীশ চন্দ্র সানা বলেন, বিধবার ছেলে মেয়ে আশাশুনি থানায় এ জঘন্য ঘটনা নিয়ে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। অভিযোগের পর বিধবাকে দীর্ঘ পনের দিন এলাকা ছেড়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।জানতে পেরেছি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবৈধ গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। বিধবাকে স্বামীর বাড়িতে না এনে এ ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার জন্য ঐ রাতেই বিধবাকে দাফন করার জন্য পিতার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

এব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মমিনুল ইসলাম পিপিএম ও পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঘটনা জানার পার এসআই মহিতুর রহমানকে ঘটনা স্থলে পাঠিয়েছি। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিধবার ছেলে ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।bartabazar