হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীকে যা খেতে দেওয়া হলো

হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীকে যা খেতে দেওয়া হলো পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া রোগীকে তেলাপোকায় খাওয়া কলা দেয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত সানজিদ তালুকদার পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার বাসিন্দা। ঈদের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত সানজিদের ভাগিনা তরিকুল জানান, তার মামা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। তাকে হাসপাতালে নেয়ার প্রয়োজন হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে বিষয়টি জানিয়ে রাখতে সরকারি জরুরি মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করে অপর পাশের কোনো কথা শুনতে পাওয়া যায়নি। এর পর রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানের দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা তাকে ভর্তি করে যথাযথ চিকিৎসা দেন। ভর্তি রোগীকে সকালের খাবার সরবরাহ করা হয়। সেখানে রোগীকে তেলাপোকায় খাওয়া নোংরা কলা দেয়া হয়। ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীকে তেলাপোকায় খাওয়া কলা দেয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নানা অনিয়ম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। হাসপাতাল পরিচালনায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা উদাসীনতায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা। রোগীদের ঠিকভাবে ওষুধ না দেওয়া, ডাক্তারদের যথাসময়ে হাসপাতালে উপস্থিত না হওয়া; রোগী দেখার আগে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতসহ নানা অনিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে পরেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

ওই রোগী ভর্তিকালে দায়িত্বরত চিকিৎসক বৃষ্টি আক্তার তার মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যবহৃত জরুরি নম্বর সম্বলিত মোবাইল ফোনটি নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। বারবার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম বলেন, হাসপাতালের জরুরি মোবাইলে কোনো সমস্যা নেই আপনি ফোন করে দেখতে পারেন।ডায়রিয়া রোগীকে তেলাপোকায় খাওয়া কলা দেওয়া বিষয়ে তিনি জানান, প্রতিদিন সকালে কলা কিনে এনে সরবরাহ করা হয়। বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।jugantor.