শিবির নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া আইনের শাসনের পরিপন্থী!

ফ্যাসিবাদের আরো একটি বড় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো রাজশাহীতে। আওয়ামী লীগের নামের ব্যাপারে ব্যক্তিগত মতামত ফেসবুকে উল্লেখ করার অপরাধে এলাকার আপামর জনতার প্রিয় ব্যক্তিত্ব শিবির নেতা আব্দুল মুকিত ভাইকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে রাজশাহীর আদালত। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এতে করে আব্দুল মুকিতদের জনপ্রিয়তা কমবে না ইনশাআল্লাহ। আওয়ামী লীগ দলটি যে গোটা দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, এটা তো দিবালোকের মতো সত্য। সন্ত্রাস-নৈরাজ্য আজ রাষ্ট্রীয়ভাবে করা হচ্ছে। যার ফলে রাষ্ট্রের সমস্ত নাগরিক আজ এই একটি দলের কাছে জিম্মি। এ বিষয়টির প্রচার ফ্যাসিবাদী সরকারের এরকম ফরমায়েশি রায় দিয়ে বন্ধ করা যাবে কি?

আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। দেশে মানুষের সবাই আওয়ামী লীগ পছন্দ করবে এমনটা যেমন সত্য হতে পারে না। বিপরীতে অনেকে অপছন্দও করতে পারেন, এটা সত্য হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টের নামে আব্দুল মুকিত ভাইয়ের ন্যায় রাষ্ট্রের অনেক নাগরিকের কণ্ঠ আজ রূদ্ধ শুধু আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের থাবায়। রায়ে স্বাধীনতার যে সংজ্ঞা টানা হয়েছে, তা আসলে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী চেতনা।

আদালতকে যথেচ্ছ ব্যবহারের ফল একদিন না একদিন তাদেরকে ভোগ করতেই হবে। আমি বিশ্বাস করি, আইনকে তার সঠিক গতিপথে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ দিলে এসব ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টের সবচেয়ে বড় ভায়োলেন্সকারী হিসেবে অধিকাংশ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এই বাংলার জমিনেই একদিন হবে ইনশাআল্লাহ।