ঘুরে গেল মোড়> নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ, জানাল পিবিআই

নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ, জানাল পিবিআই-ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মি’র বিয়ে বৈধ উপায়ে হয়নি। রাকিব হাসানকে ডিভোর্স না দিয়েই তামিমা সুলতানা তাম্মি ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের প্রতিবেদনে (পিবিআই) এসব বিষয় উঠে

এসেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীম-এর আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিভোর্স পেপার ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মি’র বিরুদ্ধে করা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব

ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীম-এর আদালতে তামিমা’র সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলা করেন। এদিকে আজ সকালে তিন জনকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই। অভিযুক্তরা হলেন, তামিমা সুলতানা তাম্মি,

ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও সুমি আক্তার। বৃহস্পতিবার বাংলাভিশন ডিজিটালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইউসুফ। রাকিব-এর আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাদীর (রাকিব হাসান) সংগে ১ নম্বর আসামি তামিমা

সুলতানা’র ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ৩ লাখ এক টাকা দেনমোহরে বিয়ে এবং রেজিস্ট্রি হয়। বিয়ের পর থেকে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন। তাদের তোবা হাসান নামে এক মেয়ে রয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘তামিমা বাদীর সংগে বিয়ের সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় নাসির-এর সংগে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন।

নাসির বাদীকে ফোন করে জানান যে সম্পূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত এবং তার নিকট তামিমা আছেন। বাদীর সংগে বিয়ের সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় তামিমা’র নাসিরকে বিয়ে করা যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ। আসামির সংগে তিনি অবৈধ বিয়ের সম্পর্ক দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন

করেছেন, যা নিকৃষ্ট ব্যভিচার।’ অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘আসামিদের এরূপ অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে বাদী ও তার শিশু কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এহেন কার্যকলাপে বাদীর চরমভাবে মানহানি হয়েছে যা বাদীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’