লাকসামে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলা ও পুলিশের মিথ্যা মামলা এবং গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

কুমিল্লা লাকসামে শিবির-জামায়াত সমর্থিত লোকজনের ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি-ঘরে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের পর উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের নামে পুলিশের মিথ্যা মামলা এবং গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী ও সেক্রেটারি জেনারেল রাশেদুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের ভোটার বিহীন একতরফা প্রহসনের নির্বাচনের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে আবারো মাঠে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন।

গত ৮ সেপ্টেম্বর লাকসামে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কোন কারণ ছাড়াই জামায়াত সমর্থিত লোকজনের ব্যবসা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ি-ঘরে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় সন্ত্রাসীরা ১টি হাসপাতাল, ১টি স্কুল ভাংচুর করে এবং ১টি মাইক্রোবাস জ্বালিয়ে দেয়। এভাবে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ৬টি বাড়ি, ২টি গাড়িসহ ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সময় তারা ৮ জন নেতা-কর্মীকে আহত করে। এ তান্ডবে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নেতৃত্ব দেয় আওয়ামীলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়। কিন্তু পুলিশ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার বা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ১৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে তিন জন শিবির কর্মীকে এবং জামায়াতের তিন জন কর্মীকে গ্রেফতার করে এবং পরবর্তীতে ক্যাম্পাস থেকে দুই জন ছাত্রশিবির কর্মীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, পুলিশ তাদের পবিত্র দায়িত্ববোধের তোয়াক্কা না করে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আজ্ঞাবহ সেবাদাসের ভূমিকা পালন করছে। পুলিশ রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। পুলিশের এই দায়িত্বহীন কর্মকান্ড রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। জনগণের টাকায় পালিত হয়ে দলীয় সন্ত্রাসী ও সেবাদাসের ভূমিকা পালন করায় পুলিশের প্রতি জনগণের নূন্যতম কোন আস্থা নেই, যা লজ্জাজনভাবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত সত্য। আমরা পুলিশের এই জঘন্য অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা অবিলম্বে এই সাজানো মামলা প্রত্যাহার করে গ্রেফতারকৃত শিবির ও জামায়াতের কর্মীদের নি:শর্ত মুক্তি ও চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার দাবি করছি। একইসাথে এমন ঘৃন্য কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।