আজ মাঠে নেমেই ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ!

‘ডাবল সেঞ্চুরি’হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-মাঠে নেমেই ‘ডাবল সেঞ্চুরি’হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেটা কীভাবে সম্ভব? বিষয়টি রানসংখ্যার দিক থেকে নয়। মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি ক্যারিয়ারের ২০০তম ওয়ানডে

ম্যাচ মাহমুদউল্লাহর। রেকর্ড গড়া আর মাইলফলক ছোঁয়ার উদ্দেশ্যেই যেন এবার জিম্বাবুয়ে সফরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সফরের একমাত্র টেস্ট ছিল তার ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্ট ম্যাচ। এমন পঞ্চাশ ছোঁয়ার দিনে ব্যাট হাতে দেড়শো রান ছুয়েছিলেন তিনি। যা তার

ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস। হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। আজ মাঠে নেমেই আরেক মাইলফলক স্পর্শ করলেন মাহমুদউল্লাহ। হারারে স্পোটর্স ক্লাবে আজ ক্যারিয়ারের ২০০তম ম্যাচ খেলত নেমেছেন ৩৫ বছর বয়সি এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। সে হিসেবে বাংলাদেশের পঞ্চম ও বিশ্বের ৮৫তম

ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ ওয়ানডের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। এ ম্যাচের আগে সতীর্থ মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল থেকে পিছিয়ে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তারা প্রত্যেকেই ২০০টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। এবার পঞ্চপান্ডবের চার

সদস্যের সঙ্গে যুক্ত হলেন মি. সাইলেন্ট কিলার। সে হিসেবে বাংলাদেশের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ ওয়ানডে ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন এই অলরাউন্ডার। ২০০৭ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে মাহমুদউল্লাহর। প্রায় ১৪ বছর পর ক্যারিয়ারে ২০০তম

ম্যাচ খেললেন তিনি। এই ম্যাচের আগে ১৯৯ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৪৬৯ রান। হাত ঘুরিয়ে উইকেট নিয়েছেন ৭৬টি। বাংলাদেশের হয়ে রঙিন জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। তার ম্যাচসংখ্যা ২২৭টি।

এর পরের নাম মাশরাফি বিন মর্তুজা। ২২০টি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের জার্সিতে তার ম্যাচ ২১৮টি। দুটি ম্যাচ খেলেছেন এশিয়া একাদশের পক্ষে। ২১৯টি ম্যাচ খেলেছেন তামিম ইকবাল। রিয়াদের আগে তালিকার যুক্ত হয়েছেন সাকিব আল হাসান। তিনি খেলেছেন ২১৪টি ওয়ানডে।