কাশ্মিরে পশু কো রবানি নি ষিদ্ধ করে ভিত্তিহিন যুক্তি দিল ভারত

ঈদুল আজহায় কাশ্মিরে পশু কো রবানি নি ষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। এই সি দ্ধান্তে মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলটিতে ঈদের সময় ব্যাপক বি ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বিজেপি প্রশাসনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প শু হ ত্যা অ বৈধ। ঈদ উপলক্ষে গরু, ছাগল, উট কিংবা যেকোনো প্রাণী হ ত্যা করা যাবে না।

বিবৃতিতে প্রাণী কল্যাণ আইনের দোহাই দিয়ে পশু কো রবানি নি ষিদ্ধ করা হয়েছে। ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলে গরুর প্রাণহানিকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখা হয়।

তবে সরকার সব প্রাণীর ওপর কেন এমন নি ষেধাজ্ঞা জারি করল, তার পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেয়নি। দেশটিতে গরুকে হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবতা হিসেবে ধরা হয়। গরু জবাই, মাংস ভক্ষণ সবই অ বৈধ।

তবে গরুর মাংস ভক্ষণ নি ষিদ্ধ থাকলেও মুসলিম প্রধান অঞ্চলে প্রচুর গরুর মাংস খাওয়া হয়। তাহলে মুসলিম অধ্যুষিত হওয়ার পরও কেন কাশ্মিরে এই নি ষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো, তা জানা যায়নি।

মুসলমানরা ঐতিহ্যগত ও ধর্মীয়ভাবে ঈদুল আজহায় পশু কো রবানি দেয়। ইসলামের নবী ইব্রাহিম (আ.) এর সময় এই কোরবানির প্রচলন হয়। কাশ্মির অঞ্চলে জুলাইয়ের ২১-২৩ তারিখ পর্যন্ত কো রবানি করা হয়ে থাকে।

কাশ্মিরে ভারতীয় এই রুলের বি রুদ্ধে বি ক্ষোভ দানা বেধে উঠছে। অঞ্চলটির মুসলমানরা দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন।

কাশ্মিরের দুটি অংশ ভারত ও পাকিস্তান আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কাশ্মির নিয়ে নতুন পরিকল্পনা শুরু করেন।

কাশ্মিরের স্বাতন্ত্র্য মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করে দেয় ভারত সরকার। ভারতজুড়ে হিন্দুদের গোরক্ষা বাহিনীর তীব্র অত্যাচার শুরু হয়।

এমনকি গরু জ বাইয়ের জন্য ২৪ জন মুসলমান হ ত্যার ঘ টনাও ঘটেছে ভারতে। দেশটির ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন মুসলমান হুমকির মুখে পড়ে মোদির শাসনামলে।