সমঝোতার সর্বোচ্ছ চেষ্টায় পরীমনি ? নাসিরের না, নিষিদ্ধ এর ঘোষণা আসছে !

মা মলা করার এক সপ্তাহের মধ্যেই পিছু হটেছেন চিত্র নায়িকা পরীমনি। তিনি এখন মা মলার মূল আসামি নাসির ইউ. আহমেদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে পরীমনির পক্ষ থেকে কয়েকজন নাসির ইউ. আহমেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলেও দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তবে নাসির ইউ. আহমেদের পারিবারিক সূত্র বলছে যে, তারা এই বিষয়টিকে সিরিয়াসলি নিয়েছেন এবং তারা প্রকৃত তথ্য প্রমাণের জন্য এ মা মলা লড়ে যেতে চান। কারণ তাদের বিশ্বাস যে শেষ পর্যন্ত এই মা মলায় পরীমনি ফেঁ সে যাবেন। উল্লেখ্য যে, ৮ জুন ঢাকা বোট ক্লাবে পরীমনি এবং তার কয়েকজন সঙ্গে সেখানে গিয়েছিল।

রাজধানীর বিভিন্ন সামাজিক ক্লাব ও বারে নি ষিদ্ধ হচ্ছেন আলোচিত নায়িকা পরীমণি। তার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অ তিষ্ঠ হয়ে সবাই এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এর মধ্যে সামাজিক ক্লাবগুলোর কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে পরীমণিকে স্থায়ীভাবে নি ষিদ্ধ করার বিষয়ে।

বোট ক্লাবে পরীমনি অপ্রী তিকর ঘটনা ঘটে। এই অপ্রী তিকর ঘটনার তিন দিন পর পরীমনি ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চান। এরপর তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

এর পরদিনই পুলিশের অনুরোধে তিনি সাভার থানায় একটি মা মলা করেন। সেই মা মলা দায়েরের চার ঘণ্টার মধ্যে মা মলার প্রধান আসামীসহ পাঁচজনকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা গ্রে ফতার করেন। এখন নাসির ইউ. আহমেদসহ আসামিরা পুলিশ রি মান্ডে আছেন। পুলিশ তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

কিন্তু এই জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই পরীমনির সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসছে। বিশেষ করে পরীমনি মামলার এজাহারে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সঙ্গে বাস্তব ঘটনার মিল নেই বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছেন। যেমন পরীমনি বলেছিলেন যে, তিনি অনিচ্ছায় বোট ক্লাবে গিয়েছিলেন।

কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে পরীমনি সেখানে সেচ্ছায় গিয়েছিলেন। পরীমনি অভিযোগ করেছেন যে, বোট ক্লাবে তাকে জোর করে ম দ খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু এখন প্রকাশিত ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে তাকে জোর করে নয় বরং স্বেচ্ছায় পরীমনি সেখানে ম দ্য পান করেছিলেন।

পরীমনি বলেছেন যে, তিনি কোনো দিন মদ খাননি। খাওয়ার পরে তার গলা ছিরে যাচ্ছিল। কিন্তু গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় পরীমনির বাসাতেই দামি দামি মদের সমারোহ। তাছাড়া এই ঘটনার পর অল কমিউনিটি ক্লাবের ভিডিও ফুটেজ এবং বানানি ক্লাবে ভাং চুরের ঘটনা প্রকাশিত হলে পরীমনি মোটামুটি ফেঁ সে যান।

প্রথম দিকে তার পক্ষে যেরকম একটি জনমত ছিল, শিল্পীসমাজ যেমন তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, এই সমস্ত তথ্য এবং ছবি প্রকাশের পর তারাও গুটিয়ে গেছেন। ফলে শুরুতে পরীমনি`র পক্ষে সবাই ছিলেন, এখন অবস্থা হয়েছে তার বিপরীত। আর এ কারণেই এখন পরীমনি বুঝতে পারছেন এই ঘটনাকে যদি বেশি দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তাহলে তার ক্যারিয়ারের ক্ষতি হবে এবং তিনিও আইনি জটিলতায় পড়বেন।

তাছাড়া বোট ক্লাবের সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য যে তথ্য উপাত্ত সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, পরীমনি কখনোই এই মা মলা প্রমাণ করতে পারবেন না। আর এ কারণেই পরীমনি এখন দুত লাগিয়েছেন যে যাতে করে এই মা মলাটি ধামাচাপা দেওয়া যায় বা প্রত্যা হার করা যায়।

কিন্তু আইন বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, বোট ক্লাবের ঘটনার পর পরীমনির যে অবস্থা, যে অবস্থাটা তিনি অর্জন করেছিলেন সেটি আস্তে আস্তে খারাপের দিকে চলে গেছে। এর ফলে মনে করা হচ্ছে যে পরীমনি এখন বাঁচার জন্যই সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছেন। সূত্র:বাংলা ইনসাইডার