বাংলাদেশে করোনার ভারতীয় ধরন, সংক্রমণের ভ-য়ংকর তথ্য!

বাংলাদেশে করোনার ভারতীয় ধরন-ভারতে ছড়িয়ে পড়া করো-নাভাইরাসের নতুন ধরন দ্রুত বাংলাদেশসহ অন্য দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) গবেষণা বলছে, লকডাউন কিংবা কোনো বি-ধিনিষেধ না থাকলে

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজন রোগী ৩০ দিনে ৪০৬ জনকে সংক্রমিত করে। বি-শেষজ্ঞরা আ-শঙ্কা করছেন, ভারতের ভ্যারিয়েন্ট শ-নাক্তের খবর শোনা না গেলেও এরইমধ্যে বাংলাদেশে এসে গেছে। আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, ভারতে

যে করোনা বাড়ছে সেটা ভ্যা-রিয়েন্টের কারণে বাড়েনি। সংক্রমণ বেড়েছে মূলত ধ-র্মীয় ও সামাজিক বিধিনিষেধ না মানা এবং অনুষ্ঠান পালনে জনসমাগমের মধ্য দিয়ে। তিনি বলেন, দেশে ভারতের ভ্যারিয়েন্ট না আসাটা অ-স্বাভাবিক কিছু নয়। সুদূর ব্রিটেন এবং দক্ষিণ

আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশে যদি ভে-রিয়েন্ট আসতে পারে, সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা বিচিত্র কিছু নয়। ভারতের করোনা দেশে অনেক আগেই এসেছে উল্লেখ করে ভাইরোলজিস্ট ড. এম জাহিদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে খারাপ ভ্যারিয়েন্টটাই আছে।

তিনি বলেন, লকডাউন এমন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এর ১০ ভাগ কার্যকর করতে পারলেও উপকার আছে। আর আমাদের জীবনযাপনের ধরনের সঙ্গেও ভারতের মিল আছে। কাছেই তাদের এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। তাই লকডাউন শিথিল বা কমে গেলেও

স্বাস্থ্যবিধি মানায় জোর তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতে তৈরি হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটির নাম গবেষকরা দিয়েছেন ‘বি-ওয়ান-সিক্সসেভেনটিন’। গত অক্টোবরে এটি প্রথম শনাক্ত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বের ১৭টি দেশে ভারতের ধরনের অস্তিত্ব মিলেছে। ২০১৯ সালের

ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সং-ক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। সোমবার (৩ মে) বিশ্বব্যাপী ম’হামা’রি করোনাভাইরাসের ভয়াবহ তাণ্ডবে মোট মৃ’ত্যু ৩২ লাখ ছাড়িয়েছে এবং মোট আ-ক্রান্ত ছাড়িয়েছে ১৫ কোটি ৩৪ লাখ।somoynews