বেঁচে আছে ৮ বছরের মীম, কিন্তু স্পিডবোট দুর্ঘটনায় পুরো প‌রিবার হারাল

দাদীর মৃত্যুর খবরে গ্ৰামে যাওয়ার পথে বাবা, মা আর দুই বোনের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮ বছরের মীম। মাদারীপুরে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় আহত এই শিশু নিজেই শনাক্ত করেছে স্বজনের মরদেহ। আর মায়ের মৃত্যুর খবরে গ্রামে ফিরতে গিয়ে স্বামী-সন্তানকে হারিয়েছেন ফরিদপুরের আদুরি বেগম।

বেলা সাড়ে তিনটা। কাঠালবাড়ির দেলোয়ারের কোলে চেপে দোতার স্কুলের মাঠে আসে আট বছরের শিশু মীম। তাকে নেয়া হয় সারি করে রাখা মরদেহের কাছে। একে একে বাবা, মা ও দুই বোনের মরদেহ সনাক্ত করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে সে।

সোমবারের স্পিডবোট দুর্ঘটনার বেঁচে ফেরা ৫ জনের একজন মীম। দাদীর মৃত্যুর খবরে যাচ্ছিল গ্ৰামে। তবে পথেই মৃত্যু হয়েছে তার বাবা মনির হোসেন, মা হেনা বেগম, বোন রুমি ও সুমির। দুর্ঘটনার পর একটি ব্যাগের ওপর ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে নেয়া হয় স্বজনদের মরদেহ শনাক্তে। পরে দুুটি এম্বুলেন্সে মরদেহগুলো খুলনার পারুখালি গ্ৰামে পাঠায় প্রশাসন।
মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বামী-সন্তানসহ ঢাকা থেকে ফরিদপুরের গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন আদুরি বেগম। এ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে স্বামী আরজু মিয়া ও দেড় বছরের সন্তান ইয়ামিনের।

স্বজনদের খোঁজে আসা মীম-আদুরির মতো অনেকের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে দোতারা স্কুল প্রাঙ্গণ।সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্টটিভি