মুনিয়ার যত প্রেম কাহিনী > নুসরাতের লোভই কাল হলো!

গুল;শানের ফ্ল্যা;ট থেকে ম;রদেহ উদ্ধার হওয়া মো;সারাত জাহান মুনিয়া (২১) সম্পর্কে বহু তথ্য এসেছে পুলিশের কাছে। পুলিশ প্রা;প্ত তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে এসব ঘটনার সঙ্গে মুনি;য়ার আ;;ত্মহ;;ত্যার সংযো;গ আছে কি না তা খ;তিয়ে দেখছে।

মুনিয়া;র বড় চাচা চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. শাহদাত হোসেন সেলিম দাবি করেছেন, আমার ভাতিজি নুসরাত জাহান ও তার স্বামী মেঘনা ব্যাংকের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সা;নির অতি লো;ভের বলি হয়েছে মুনি;য়া। তারা মুনিয়াকে তাদের স্বা;র্থে ব্যবহার করেছে। আমাদের সঙ্গেও মিশতে দিত না।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের জা;ঙ্গালি;য়া দৈয়ারা গ্রামের ছেলে মি;জানকে ‘অস;ভ্য’ অভিহিত করে মুনিয়ার চাচা সেলিম বলেন, ‘পরিবারের অমতে নুসরাত বিয়ে করে মিজানকে। এরপর সে আমার ছোট ভাতিজি মুনিয়াকে দিয়ে ধন-সম্পদ অর্জনের হা;তিয়া;র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। যার পরিণ;তিতে আজ মুনিয়ার করু;ণ মৃ;ত্যু হয়েছে।’

মুনিয়ার স্থায়ী ঠিকানা কুমিল্লার কো;তোয়ালি থানার মনোহ;রপুর এলাকা;র উজির দীঘির দক্ষি;ণপাড়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই বাড়িতে গিয়ে এলাকাবাসীর স;ঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মু;নিয়া নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় কুমিল্লা শহরের ৬নং ওয়ার্ডের শুভপুর এলাকার নিল;য় নামে এক যুবকের সঙ্গে পা;লিয়ে যায়। নিলয় বি;বাহিত, দুই সন্তা;নের জ;নক।

এই ঘটনায় নু;সরাত ;জাহান বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নিল;য়কে আ;সামি করে না;রী ও শি;শু নি;র্যা;তন দমন আ;ইনে মা;মলা করেন। ঘট;নাটি ২০১৪ সালের। ওই সময় মুনিয়ার মা-বাবা জীবিত ছিলেন। ওই মা;মলায় বলা হয়, ‘আমার অ;প্রাপ্ত বয়স্ক বোনকে ফু;সলি;য়ে অ;পহর;ণ করে অ;জ্ঞাত স্থা;নে নিয়ে তার স;ম্ভ্রম লু;টসহ জানমা;লের ভয়া;বহ ক্ষ;তির শ;ঙ্কা করছি।

অবি;লম্বে নিল;য়কে গ্রে;প্তারপূ;র্বক মুনিয়া;কে উদ্ধা;রকল্পে; প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। ওই মা;মলার সাড়ে তিন মাস পরে কুমি;ল্লার কোতোয়াাল থানা পুলিশ ফেনীতে নিলয়ের এক আ;ত্মীয় বাড়িতে অভি;যান চালিয়ে উদ্ধার করে আনে মুনিয়াকে। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় গ্রাম্য বৈ;ঠকে মোটা অ;ঙ্কের জ;রিমানা আদায়ের মাধ্যমে নিলয়-মুনিয়ার বিয়ে বি;চ্ছেদ ঘটানো হয় এবং যে যার পরিবা;রে ফিরে যায়। এরপর নুসরাত ঢাকায় পাঠিয়ে দেন মুনিয়াকে। মুনিয়ার বড় ভাই আশিকুর রহমান সবুজ এই প্রতিবেদককে বলেন, মুনিয়া ঢাকায় এসে একটি নারী হোস্টে;লে থাকত।

মুনিয়ার একাধিক আ;ত্মীয় বলেন, এ সময় তার বড় বোন নুস;রাতে;র উৎ;সা;হে ও জ;নৈক হিরু মি;য়ার মাধ্যমে শো;বিজ জগতে যাতায়াত শুরু হয় মুনিয়ার। তার সঙ্গে পরিচয় হয় সিনেমার একজন পরিচিত নায়কের। এছাড়া একজন পরিচালক তাকে নায়িকা বানা;নোর স্বপ্ন দেখিয়ে ঢাকার বিভিন্ন ক্লা;বে নিয়ে যান।

তবে মুনিয়ার ভাই সবুজ বলেন, ‘আমাদের পৈ;তৃক সম্পত্তির সমান ভাগ নিয়ে নুসরাত আমি, আমার চাচা, চাচিসহ কয়েকজনকে আসা;মি করে মা;মলা করে। মা;মলার কার;ণে স্বাভা;বিকভাবেই নুসরাত ও মুনিয়ার সঙ্গে আমার দূরত্ব তৈরি হয়। ওই মাম;লা এখনো শেষ হয়নি। তার বাবা মু;ক্তিযো;দ্ধা শফিকুল ইসলাম মা;রা যান ২০১৫ সালে আর মা মা;রা যান ২০১৯ সালে। এরপর থেকে মুনিয়া স;ম্পূর্ণভাবে নুস;রাত ও তার স্বা;মীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ছোট বোনের এ পরিণ;তির জন্য সবুজ নিজেও তার বোন নুসরাত ও তার স্বামীকে দায়ী করেন।

পুলিশ সূত্রের ধারণা, মুনিয়ার ফ্ল্যা;ট থেকে ৫০ লাখ টাকা খোয়া যাওয়ার যে অ;ভিযোগ উত্থা;পিত হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমা;ধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিও রে;কর্ডে, এ টাকাও মুনি;য়ার হাত ঘু;রে তার বোন-ভগ্নিপ;তির ঘরে পৌঁছে থাকতে পারে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলেও ওই সূত্র জানিয়েছে।

শোবিজপাড়ার কর্মী জনৈক বা;প্পীরাজ নিজেকে মুনিয়ার সাবেক প্রে;মিক দাবি করে বলেন, ‘মুনিয়ার সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় ফেইসবুকে। আমি তাকে পাগ;লের মতো ভালো;বাসতাম। তাকে বি;য়ে করতে চেয়েছিলাম। আমার পরিবারও বিষয়টি জানত। আমার সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। আমরা রাত-বিরাতে অনেক আ;ড্ডা দিতাম। হঠাৎ সে ফেইসবুকে আমা;কে ব্ল;ক করে দেয়। আমার বা;প্পীরা;জ আ;ইডি থেকেই তার সঙ্গে কথা হতো বেশি। সে বেশ হাসিখু;শি ছিল। সে আ;মাকে আন্তরি;কভাবে সময় দিত। সে মো;র বিউটিফুল। আমি তাকে মন থেকে পছ;ন্দ করতাম।’

বাপ্পী আরও বলেন, ‘সম্পর্কের গভী;রতার মধ্যেই হঠা;ৎ না বলে কোথায় যেন হারি;য়ে গেল মেয়েটি। না পাওয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসল। আমি জা;স্ট ভুলেই গেছিলাম ওকে। তারপর গত বছর মা;র্চের দিকে ওর সঙ্গে আমার আবার কথা হয়েছিল।’ আ;লাপের একপর্যা;য়ে স্মৃতি;কাতর হয়ে ওঠেন বা;প্পীরাজ। তিনি বলেন, ‘মুনিয়া দেখতে অনেক সুন্দর ছিল। আমি মন থেকে ওকে চেয়েছি;লাম।সূত্র: দেশ রূপান্তর।