মুনিয়ার চার প্রেমিকের সন্ধান!

মুনিয়ার চার প্রেমিক – কুমিল্লার একটি সাধারণ পরিবারের মেয়ে মোসারাত জাহান মুনিয়া। পরিবার কুমিল্লায় থাকলেও ২০১৭ সাল থেকে ঢাকায় থাকছেন তিনি।

মুনি’য়ার স্বপ্ন ছিল সিনেমায় কাজ করার। এক প্রযোজকের হাত ধরে পরিচয় হয়েছিল ঢাকাই সিনেমার এক নায়কের সঙ্গে। তার সঙ্গে প্রেমের সম্প’র্ক ভে’ঙে যাওয়ার পর অভিনেতা বাপ্পী রাজের সঙ্গে পরিচয় হয় মুনিয়ার। পরিচয় থেকে গভীর প্রেম। নিয়মিত মিরপুরের বাসায় একান্তে

দেখা হতো তাদের। ওই বাসাতেই শোবি’জের অনেকের সঙ্গে আড্ডাও মেতে উঠতেন তারা। বাপ্পী রাজের সঙ্গে দুই বছর প্রেম ছিল মুনিয়ার। তার বোন এবং বা’প্পী রাজের পরিবার বিষয়টি জানত। কিন্তু মুনিয়ার ‘ঝা’মেলা’ থাকায় তার কাছ থেকে সরে আসেন বাপ্পী রাজ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্পর্ক থাকা অবস্থায় হঠাৎ অভি’নেতা বাপ্পী রাজের কাছ

থেকে উ’ধাও হয়ে যায় মুনিয়া। তারপর এক সঙ্গীত’শি’ল্পীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে তার। সবশেষ এক শিল্পপতির স’ঙ্গে প্র’ণয় গড়ে ওঠে মুনিয়ার। তাকে বিয়ে করে’ছেন বলেও সাবেক প্রেমিক বাপ্পী রা’জকে জানিয়েছেন মুনিয়া। বাপ্পী রাজ সময় নিউজকে বলেন, ‘যে শিল্পপতির সঙ্গে এখন ওকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তাকে বিয়ে করেছিল। মুনিয়ার সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়েছিল গত বছর ফেব্রুয়ারিতে।

তখন সে এই বি’য়ের কথাটি বলেছিল। গুল’শানের একটি ফ্ল্যাটে থাকত বলেও আমাকে জানি’য়েছিল মুনিয়া। তবে সে ওই লাইফ থেকে মুক্তি চাচ্ছিল, সাধারণ লাইফে ফিরে আসতে চাইছিল।’ মুনিয়ার বিষয়ে মঙ্গ’লবার (২৭ এপ্রিল) মুঠোফোনে সময় নিউজকে বাপ্পী রাজ, ‘২০১৭-১৮ সালে, দুই বছর আমাদের সম্পর্ক ছিল। আমি মন থেকে ওকে পছন্দ করতাম।

আমার পুরো পরিবার ব্ষিয়টি জানত। সর্ম্পকের মাঝে হঠাৎ গ্যাপ হয়ে গেল। তারপর মুনিয়া কোথায় যেন হারিয়ে গেল। গত বছর আমি খুলনাতে ছিলাম এখনো খুলনাতেই আছি। তখন বলেছিল, আমরা বিয়ে করেছি। তারপর চার-পাঁচদিন টানা কথা হয়েছিল আমাদের, ও সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল। তারপর আবার রাগ করে আমাকে ব্লক করে দেয়।’ রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান

মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধা’র করে পু’লিশ। এ ঘ’টনা এক শি’ল্পপতিকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বড় বোন নুজরাত জাহান। মুনিয়ার বড় বোনের অভি’যোগ, ভিক’টিমের সঙ্গে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিচয় এবং সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মনমালিন্য হয়। মুনিয়া কুমি’ল্লা চলে যায় এবং পুনরায় ঢাকায় আসেন। পরবর্তীতে মুনি’য়া তার বোনকে

ফোন করে জানান, তার জীবনে যে কোনো সময় যে কোনো কিছু ঘটতে পারে। এ ঘটনায় সোমবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নিহত মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে গুল’শান থানায় একটি মামলা করেন। মাম’লায় দেশের অন্য’তম শীর্ষ শিল্প গ্রু’প বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহানের বি’রুদ্ধে আ’ত্মহ’ত্যায় প্ররো’চণার

অভিযোগ এনেছেন তিনি। এদিকে, মামলার এজা’হার গ্র’হণ করে তদন্ত কর্ম’কর্তাকে আগামী ৩০ মে মা’ম’লার প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজি’স্ট্রেট আবু সুফি’য়ান মো. নোমা’নের আদালত। অন্যদিকে, মা’ম’লার আ’সামি সা’য়েম সোবহান আনভী’রের বিদেশ যাত্রার ওপর নি’ষে’ধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামির বিদেশ যাত্রার ওপর নি’ষেধা’জ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। তার

আ’বেদনের পরি’প্রে’ক্ষিতে ঢাকা মে’ট্রোপ’লিটন ম্যা’জি’স্ট্রেট শহিদুল ইসলা’মের আদালত তা মঞ্জু’র করেন।সময় নিউজ