মুনিয়ার ঘটনায় সামনে এল বসুন্ধরার আলোচিত ২০০৬ সালের সাব্বির হ/ত্যা মা/মলা!

রাজধানীর গুলশানে একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার (২১) ঝুলন্ত ম/র/দেহ উদ্ধারের ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় হচ্ছে ,বসুন্ধরার অতীত আমলনামা এখন ফেইসবুকের নিউজ ফিড শীর্ষে অবস্থান করছে এরেই মধ্যে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী যেন প্রাইভেট জেটের মাধ্যমে দেশ ত্যাগ না করতে পারে সেজন্য পুলিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। নতুন করে মুনিয়ার ঘটনায় সামনে এল বসুন্ধরার আলোচিত সাব্বির হ/ত্যা মা/ম/লা যা ২০০৬ সালে বাংলাদেশে তোলপাড় হয়েছিল। সেই ঘটনায় বিএনপি ১০০ কোটি চাইলে ৫০ কোটি টাকায় ঘটনা ধামাচাপা হয়।

বসুন্ধরার আইটি বিশেষজ্ঞ সাব্বির আহমেদ হ/ত্যা/য় আসামিদের বাঁচাতে ২১ কোটি টাকার ঘু/ষ দু/র্নী/তি মামলার শুনানি পিছিয়ে আগামী ১৬ মে ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার তিন আসামির পক্ষে সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম অসুস্থ ও তার দুই ছেলে সাফিয়াত সোবহান এবং সাদাত সোবহান দেশের বাইরে থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এজন্য তাদের পক্ষে সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী এনামুল সরদার। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী তারিখ ১৬ মে ধার্য করেন।

পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল জানান, মামলায় ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই বাবরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত। চার্জ গঠনের সময় আসামি শাহ আলম ও তার দুই সন্তান পলাতক ছিলেন। পরে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন এবং ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি নেন। এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামি প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে এদিন আদালতে হাজির করা হয়।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ মা/ম/লায় পলাতক রয়েছেন। এ ছাড়া আসামি তারেক রহমানের পিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, আবু সুফিয়ান, কাজী সলিমুল হক কামাল এ মা/ম/লার আসামি।

২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলাটিতে ২০০৮ সালের ২৪ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ওই বছর ১৪ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সাব্বির হত্যা মামলা ধামাচাপা দিতে তারেক, বাবর ও শাহ আলমের মধ্যে বাবরের বেইলি রোডের সরকারি বাসায় একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে শাহ আলমের কাছে ১০০ কোটি টাকা দাবি করেন তারেক ও বাবর। ৫০ কোটি টাকার বিনিময়ে এই হ/ত্যা/র/হস্য ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তারেক ও বাবরের সঙ্গে শাহ আলমের চুক্তি হয়।

চুক্তি অনুসারে শাহ আলমের কাছ থেকে বাবর ২১ কোটি টাকা গ্রহণ করেন। এ টাকার মধ্যে বাবরের নির্দেশে বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ২০০৬ সালের ২০ আগস্ট হওয়া ভবনে ১ কোটি টাকা তারেকের পিএস অপুকে বুঝিয়ে দেন। বাবর ৫ কোটি টাকা আবু সুফিয়ানের মাধ্যমে নগদ গ্রহণ করে কাজী সালিমুল হক কামালের কাছে জমা রাখেন। বাকি ১৫ কোটি টাকা বাবরের নির্দেশে আবু সুফিয়ান প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় সালিমুল হক কামালকে ২০টি চেকের মাধ্যমে দেন।সূত্র:রাইজিংবিডি