ফোন রেকর্ড ফাঁস > মামুনুল হক লাইভে যা স্বীকার করলেন, হেফাজত কর্মীদের মাথায় হাত!

মামুনুল হক সাহেব আজকে লাইভে এসে যা বললেন তাঁর মূল আলোচ্য : ১-জান্নাত আরা ঝর্না ওনার দ্বিতীয় ওয়াইফ। ২-ফোন রেকর্ড যা ছিল তাও তিনি স্বীকার করলেন, ফোনালাপ নিয়ে কোন অস্বীকৃতি দেননাই এমনকি এই ফোন আলাপ তাঁর নয় এই বিষয় একটি বাক্য ও বলেন নি বরং গোপন রেকর্ড ফাঁস নিয়ে বলেন ব্যক্তিগত তথ্য সামনে কেন আসছে ?

। ৩-জান্নাত আরা ঝর্না অর্থাৎ ওনার দ্বিতীয় স্ত্রীর সাক্ষাৎকারটিও সত্য(যা জোরপূর্বক করা হয়েছে ওনার অনুমতি ব্যতীত -হুজুরের ভাষ্যমতে) ৪-কাবিননামা নিয়ে আজও তিনি ক্লিয়ার কোন বক্তব্য দেননি(যদিও কাবিননামা ছাড়াই বিয়ে হয় কিন্ত রাষ্ট্রের প্রয়োজন কাবিননামা)

বিঃদ্রঃ যারা অর্থাৎ হেফাজত কর্মীরা জান্নাত আরা নামক মহিলাকে বে/শ্যা বলে সাব্যস্ত করেছিলেন এবং যুবলীগ নেতার স্ত্রী বলে সাব্যস্ত করেছিলেন তাদের এখন কি উপায় হবে? হুজুর তো নিজেই বললেন জান্নাত আরা ঝর্না হুজুরের দ্বিতীয় বৈধ স্ত্রী।

আর আমিনা তৈয়বা বিষয়টি এখনও ক্লিয়ার হইনি,অনেকে বলতেছে হুজুরের প্রথম স্ত্রীর নাম আমিনা তৈয়বা। এটাই যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে রিসোর্টে হুজুর সাংবাদিকদের সামনে ওনার প্রথম স্ত্রীর নাম কেন বললেন?(তখনতো সমস্যা হয়েছিল দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে,কিন্ত সেখানে প্রথম স্ত্রীর নাম কেন হুজুর বললেন?

ব্যক্তিগত অসাবধানতার কারণে যে ক্র/টি-বি/চ্যুতি হয়েছে।আমার অ/সাবধানতা এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করার কারণে যে ক্ষতির সম্মুখীন ব্যক্তিগতভাবে হয়েছি, সেই জন্য আমি নিজেই ম/র্মা/হত। আমার কারণে আজকে সেখানে অনেকে ক্ষ/তি/গ্রস্ত হয়েছেন। তাদের কাছে আমি হাতজোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের দায়িত্বশীলদের গোপন রেকর্ড ফাঁসের যে ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে, এর মাধ্যমে অ/শু/ভ উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তারা চাচ্ছে হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বকে ক/লু/ষিত করতে। অ/ন্ত/র্দ্বন্দ্ব ও ক/ল/হ তৈরি করতে। আস্থা ও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, হেফাজতে ইসলামের সংহতি দৃঢ়ভাবে অটুট থাকবে।

পারস্পরিক এ ভেদাভেদ আমরা ভুলে যাব। কেউ কোনো দোষ করে থাকলে সাংগাঠনিকভাবে তার সংশোধনের যথাথ ব্যবস্থা করা হবে। হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে, তারা যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। যারা হেফাজতে ইসলামকে দুর্বল করার পাঁয়তারা করছেন এই ষ/ড়/য/ন্ত্র সফল হবে না।