রহস্য ফাঁস > কেন হটাৎ স্ত্রীকে নিয়ে রিসোর্টে যান মামুনুল হক ? পরিস্থিতি কেন ঘোলাটে হল তাহলে ?

কেন হটাৎ স্ত্রীকে নিয়ে রিসোর্টে যান মামুনুল হক ? পরিস্থিতি কেন ঘোলাটে হল তাহলে ? জৈনিক মহিলা কি ওনার স্ত্রী নাকি অন্যকেউ ? সারাদিন এই প্রশ্ন সবার মুখে মুখে সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মামুনুল হক এবং একই সাথে তিনি ঘটনার বিবরণ দেন।

মূলত স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর দেখতে বের হয়েছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। কিন্তু শনিবার হওয়ায় বন্ধ ছিল জাদুঘর। এরই মধ্যে দুপুরের খাবার সময় চলে আসে। সোনারগাঁওয়ের মধ্যে রয়েল রিসোর্ট নামক অভিজাত হোটেলে স্ত্রী আমিনা তাইয়াবাকে নিয়ে যান মামুনুল হক। স্ত্রীর পর্দার ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দুপুরে খাবারের পর বিশ্রামের জন্য রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে উঠেন তারা।

এরই মধ্যে রিসোর্টে নারী নিয়ে মামুনুল হক এসেছেন এমন খবরে যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু ও ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রনিসহ তাদের দলীয় লোকজন হা/না দেয় ওই রিসোর্টে। তারা মামুনুল হকের ৫০১ নম্বর কক্ষে গিয়ে চিৎকার চে/চা/মে/ছি শুরু করেন। একপর্যায়ে মামুনুল হকের চরিত্র হ/ন/নের চেষ্টা চালান তারা।

যুবলীগ নেতারা অ/ক/থ্য ভাষায় গা/লি গা/লাজ করেন মামুনুল হককে। তারা বলতে থাকেন, হ/র/তাল ডেকে দেশের ক্ষতি করো, আবার নারী নিয়ে রিসোর্টে আসো। এ সময় তার গায়ে হা/ত তোলেন কেউ কেউ। তাদের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, আমার সাথে যারা দু/র্ব্য/বহার করলেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। আমি কোনো অ/ন্যা/য় করিনি। আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে এখানে এসেছি।

যুবলীগ নেতারা মামুনুল হকের চরিত্র/হ/ন/ন করার জন্য অ/প/বাদ দিতে থাকেন। পুরো ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ করেন তারা। এ দিকে ফেসবুকে ভিডিও লাইভ দেখে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশসহ প্রশাসনের লোকজন। খবর পেয়ে হেফাজতকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উ/দ্ধা/র করেন।

পরে মামুনুল হক বলেন, ‘আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁওয়ে বেড়াতে আসি। সোনারগাঁও জাদুঘরে গিয়ে জাদুঘর বন্ধ থাকায় আমি বিকেল ৩টায় স্থানীয় সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে এসে অবস্থান নেই। পরে এলাকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লোকজন আমার সাথে খা/রা/প আচরণ করে। তারা আমাদেরকে হে/ন/স্থা করে একপর্যায়ে অ/ব/রুদ্ধ করে রাখে।

পরে স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন ও পুলিশ এসে আমাদের উ/দ্ধার করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি ইসলামের শরিয়ত মোতাবেক আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি দু’বছর আগে। সে আমার বিবাহিতা স্ত্রী।’ এবং একই সাথে ফেইসবুক লাইভে বলেন আমার বন্ধুর সাবেক স্ত্রী যার আগের ঘরের ২টি সন্তানও আছে।

এ দিকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুক্ত হয়ে মামুনুল হক তৌহিদী জনতার উদ্দেশে বলেন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সাথে কোনো খা/রা/প আচরণ করেনি। কিছু বাইরের লোক খা/রা/প আচরণ করেছে।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টের একটি কক্ষে নারীসহ অবস্থান করছেন- এমন খবরে স্থানীয় লোকজন রিসোর্ট ঘেরাও করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ রিসোর্টে যায়। মামুনুল হক পুলিশকে জানিয়েছেন, সাথে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। পরে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়ে তাকে উদ্ধার করেছে। তথ্য সূত্র: যুগান্তর,নয়া দিগন্ত ও ফেইসবুক লাইভ