শেষ ওভারে নাটকীয়তা> অবশেষে শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেল বাংলাদেশ, দেখুন স্কোর

অবশেষে শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেল বাংলাদেশ-৪৯তম ওভারের শেষ বলে জশুয়া লিটলকে ছক্কা মেরে ব্যবধান ১৫ থেকে ৯ এ নামিয়ে আনেন শামিম হোসেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য তখনও ৯ রান প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের। প্রথম বলে চার মেরে খেলা নিজেদের আয়ত্তে

নিয়ে আসেন সুমন খান। শেষ পর্যন্ত শামিমের অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে ২ বল বাকি থাকতেই আয়ারল্যান্ড উলভসকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ২৬৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করেছিলেন দুই ওপেনার

সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। ১৭ রান করে তানজিদ ফিরে গেলে ভাঙে তাঁদের দুজনের ৪৪ রানের জুটি। এরপর মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে আরেকটি জুটি গড়েন অধিনায়ক সাইফ। যদিও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার আগে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে সাইফকে।

৫৩ বলে ৩৬ রান করে গেটক্যাটের বলে আউট হয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ভালো শুরু করলেও ৩১ রান করে আউট হয়েছে ইয়াসির আলী রাব্বি। তাঁকে ফিরিয়েছেন হোয়াইট। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পর মাহমুদুলও ফিরেছেন ৬৬ রান করে। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশ

ইমার্জিং দল যখন হারের শঙ্কায় তখন দলের হাল ধরেন শামিম ও তৌহিদ হৃদয়। দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে জয়ের পথে এগোতে থাকে টাইগাররা। ৩০ এর ঘরের গিয়ে সাইফ-রাব্বিদের মতো আউট হয়েছেন তিনিও। এদিন থিতু হতে পারেননি আকবর আলীও। ৫ বলে কোনো রান না করেই

রান আউট হয়েছেন যুব বিশ্বকাপ জয়ী এই অধিনায়ক। তবে শেষ দিকে সুমনকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন শামিম। আইরিশদের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন হোয়াইট। এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন ম্যাককলাম ও রোহান

প্রিটোরিয়াস। দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ের কারণে প্রথম ২০ ওভারে কোনো উইকেট তুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ৪১ রান করা ম্যাককলামকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন পেসার সুমন। ম্যাককলামের বিদায়ের পর স্টিফেন দোহনিকে নিয়ে আবারও বড় জুটি গড়েন প্রিটোরিয়াস।

দুজনের অনবদ্য জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে হাঁটছিল আইরিশরা। ২৯ বলে ৩৭ রান করা দোহানিকে ফিরিয়ে তাঁদের দুজনের ৮৫ রানের জুটি ভাঙেন রাকিবুল হাসান। দোহানিকে ফেরানোর পর ৯০ রান করা প্রিটোরিয়াসকেও ফেরান বাঁহাতি এই স্পিনার। ১২৫ বলে ৯০ রান করেছেন এই

আইরিশ ব্যাটসম্যান। ইনিংসটি খেলতে ৯টি চার ও ১টি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি। এরপর কার্টিস ক্যাম্ফারকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি পেসার শফিকুল ইসলাম। মাত্র ৪ রান করে ফিরে গেছেন এই ব্যাটসম্যান। গেটক্যাটকে নিয়ে টানা ৩ উইকেট হারানোর ধকল সামলিয়েছেন অধিনায়ক হ্যারি

টেক্টর। ২৫ বলে ২৯ রান করে গেটক্যাট ফিরলে ভাঙে তাঁদের দুজনের ৪১ রানের জুটি। এরপর ৩১ রান করা টেক্টরকে ফেরান মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রান তোলে আইরিশরা। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রাকিবুল ও সুমন। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন মুকিদুল ও শফিকুল।