অবশেষে ১০ মাস পর দশম-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য খুলল স্কুল

দশম-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য খুলল স্কুল-করোনার কারণে বন্ধ থাকার প্রায় ১০ মাস পর আজ সোমবার ভারতের রাজধানী দিল্লির স্কুলগুলো দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে স্কুলে আসার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মা-বাবার অনুমতিপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধিও। আগামী মার্চ-এপ্রিলে বোর্ড পরীক্ষার জন্য ব্যবহারিক ক্লাসসহ শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতেই দিল্লির সরকার এভাবে স্কুল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে করোনার মধ্যে এভাবে স্কুল খুলে দেওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অন্যদিকে স্কুলগেুলোকে করোনা স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্লাস ও গবেষণাগারে শারিরীক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে। শিক্ষর্থীদের যথাযথ মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্যও শিক্ষকদের প্রতি নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। ভারতের রাজস্থানেও আজ সোমবার থেকে স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে।

•দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণের সঙ্গেই আজ থেকে দিল্লিতে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির স্কুল খুলে যাচ্ছে। দিল্লিতে সরকারি, সরকারি সহায্যপ্রাপ্ত / বেসরকারি স্কুলগুলি ১০ মাস পরে খোলা হচ্ছে। স্কুলগুলি খোলার আগে দিল্লি সরকার (Delhi Govt) নির্দেশিকা জারি করেছে। রাজ্য সরকারের আদেশ অনুযায়ী, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য প্র্য়াকটিক্যাল, প্রোজেক্ট এবং প্রাক-বোর্ড / বোর্ড পরীক্ষার জন্য স্কুলের প্রস্তুতির জন্য স্কুল খোলার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

•এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের স্কুলের পরিবর্তিত পরিবেশের পাশাপাশি নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে। সেই নিয়ম অনুযায়ী এই মুহুর্তে শিক্ষার্থীদের হাত মিলাতে নিষেধ করা হয়েছে। যে সব অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন, তাঁরা এই নিয়মগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।

•১. কেবলমাত্র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের সম্মতির পরে স্কুলে যেতে দেওয়া হবে। স্কুলে আসা পড়ুয়াদের বাবা-মায়ের লিখিত অনুমতি বাধ্যতামূলক। যে শিক্ষার্থীরা পিতামাতার সম্মতিপত্র ছাড়াই আসবে তাদের স্কুলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। •২. এসওপি স্পষ্টভাবে

বলেছে যে কন্টাইনমেন্ট জোনের বাইরের স্কুলগুলিকে কেবল স্কুল পরিচালনের অনুমতি দেওয়া হবে। কনটেইনমেন্ট জোনে বসবাসকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মচারীদের স্কুলে আসতে দেওয়া হবে না। •৩. রাজ্য সরকারের (দিল্লি) দেওয়া নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে যে স্কুলের প্রধান

প্রবেশদ্বার / প্রস্থান গেটে যানজট এড়ানোর জন্য, স্কুলের সময়সীমা কমপক্ষে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে রাখতে হবে। •৪. স্কুলগুলিকে কেবল ক্লাস চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এগুলি ছাড়া কোনও সমাবেশ, জমায়েত, বহিরাগত বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপ অনুমোদিত নয়।

•৫. জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে, স্কুলের বিভিন্ন রুমে পৃথক পৃথক কক্ষের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সমস্ত স্কুলের সদস্যদের অবশ্যই স্কুল প্রাঙ্গনে উপযুক্তভাবে মাস্ক পরতে হবে। স্কুল পুনরায় চালু হওয়ার পরেও অনলাইন ক্লাস চলতে থাকবে এবং অনলাইনে ক্লাস ঘরে বসে অংশ নিতে সক্ষম হবে পড়ুয়ারা।bengali.news18