নামাজে সূরা ফাতেহার শেষে ‘আমিন’ বলার উপকারিতা

নামাজে বান্দা চুপিসারে আল্লাহ তায়ালার সাথে কথা বলে। আল্লাহর তাসবিহ পড়ে, হামদ ও সানা করে, দোয়া ও প্রার্থনা করে।

সূরা ফাতেহার মধ্যে বান্দা হামদ ও সানার সাথে সাথে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। সূরা ফাতেহা যখন শেষ হয় তখন মুসল্লি আমিন বলে। ফেরেশতারাও তখন আমিন বলেন।

বান্দার আমিন ও ফেরেশতার আমিন মিলে গেলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার পূর্বের সব গোনাহ মাফ করে দেন!আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

إِذَا قَالَ الْإِمَامُ: غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضّالِّينَ، فَقُولُوا: آمِينَ، فَإِنّ الْمَلَائِكَةَ تَقُولُ : آمِينَ، وَإِنّ الْإِمَامَ يَقُولُ: آمِينَ، فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلَائِكَةِ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدّمَ مِنْ ذَنْبِهِ.

যখন ইমাম غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলেন তখন তোমরাও আমিন বল। কেননা তখন ফেরেশতারাও আমিন বলে। ইমামও আমিন বলে। আর যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সাথে মিলবে তার পূর্বের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

(মুসনাদে আহমাদ: হাদিস নং ৭১৮৭; বুখারি শরিফ: হাদিস নং ৭৮০) উল্লেখ্য, সূরা ফাতিহার পর ‘আমিন’ বলা সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।