বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যু’ক্ত হচ্ছে একাধিক নতুন মুখ!

শিগগিরই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির শূ’ন্যপদ পূরণ হচ্ছে। দলের ভেতরে এমন গু’ঞ্জন শোনা গেলেও দা’য়িত্বশীল নেতারা বলছেন, দলের মধ্যে এমন আ’নুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা নেই।

বিএনপির স্থা’য়ী কমিটির নতুন মুখের আলোচনায় থাকা নেতাদের ঘ’নিষ্ঠজনরা বলছেন, বিএনপির সর্বোচ্চ নী’তিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থা’য়ী কমিটির সদস্য দলের নে’তাকর্মীদের কাছে বরাবরই একটি আ’কর্ষণীয় ও ম’র্যাদাপূর্ণ পদ।

আজীবন বিএনপির রাজনীতি করা, বিশেষ করে পোড় খাওয়া নেতাদের টার্গেট থাকে শেষ জীবনে হলেও স্থায়ী কমিটিতে অ’ন্তর্ভুক্ত হওয়া। দু-একটি ব্য’তিক্রম বাদে এ ফোরামে সাং’গঠনিকভাবে যোগ্য, প’রীক্ষিত,ত্যা’গী ও দলে তুলনামূলক গ্র’হণযোগ্য ব্য’ক্তিদেরই স্থা’ন হয়। তাই প্রায় সব জ্যে’ষ্ঠ নেতার আগ্রহের কে’ন্দ্রবিন্দুতে থাকে স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ লাভ।

এ কমিটি নির্বাচনের প্রার্থী চূ’ড়ান্ত করা, কর্মসূচি প্র’ণয়ন থেকে শুরু করে সার্বিক সি’দ্ধান্ত গ্রহণের কাজগুলো করে থাকে। স্থা’য়ী কমিটির সুপারিশের আলোকেই বেশিরভাগ সময় বিএনপির শীর্ষ নেতা সি’দ্ধান্ত দিয়ে থাকেন। ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে পাঁচটি শূন্যপদে নতুন মুখ আসার স’ম্ভাবনা রয়েছে

ষষ্ঠ জাতীয় কা’উন্সিলের পর দলের যে স্থায়ী কমিটি করা হয় তাতে দুটি পদ খালি রাখা হয়। পরবর্তীতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ এবং এম কে আনোয়ার মারা যাওয়ায় পাঁচটি পদ শূন্য হয়।

গেল বছর জুনে স্থায়ী কমিটিতে সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে অ’ন্তর্ভুক্ত করা হয়। আরও তিনটি পদ ফাঁ’কা থেকে যায়। এদিকে বার্ধ’ক্যজনিত অ’সুস্থতার কারণে স্থা’য়ী কমিটির সদস্য ব্যা’রিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, লে’ফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান দলীয় কর্মকাণ্ডে কার্যত নি’ষ্ক্রিয় রয়েছেন।

প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারও শা’রীরিকভাবে ততটা ফি’ট নন। অ’সুস্থতার কারণে এই তি’নজনের মধ্যে দুজনের বাদ পড়ার স’ম্ভাবনা রয়েছে। তিনটি পদ ফাঁ’কা এবং আরও দুজন বাদ পড়লে পাঁচটি পদ শূ’ন্য হবে। এখানে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা বেশি।

দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য হওয়ার তালিকায় এরই মধ্যে আলোচনায় আছেন বেশ কয়েকজন। তারা হলেন- ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, বীর উত্তম; মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং মোহাম্মদ শাহজাহান।

এছাড়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেনও আলোচনায় আছেন।

শিগগিরই দলের স্থা’য়ী কমিটির শূন্যপদ পূরণ হবে কি-না এবং এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, জানতে চাইলে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান জাগো নিউজকে বলেন, শূ’ন্যপদ তো নিশ্চয়ই পূরণ হবে। তবে কবে হবে, সেটা এই মু’হূর্তে বলতে পারছি না। এটা নিয়ে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি।

স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুও জানান, এ নিয়ে তাদের সর্বোচ্চ নী’তিনির্ধারণী ফোরামে কোনো আলোচনা হয়নি।