বাংলাদেশে কখন কি ঘটে বলা যায় না: ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশে কখন কী ঘটে বলা যায় না, তাই দলের নে’তাকর্মীদের ক্ষ’মতার দাপট না দেখানোর জন্য স’তর্ক করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, যারা দল করেন তারা মনে রাখবেন দলে যদি ঐক্যকে গু’রুত্ব না দেন, নিজেদের মধ্যে ক’লহ-ক’ন্দোল থাকে তাহলে দুঃ’সময়ে প্র’তিপক্ষ কো’ন্দলের ওপর আ’ঘাত হানবে। এ দেশে কখন কী ঘটে বলা যায় না।

চিরজীবন আমরা ক্ষ’মতায় থাকবো এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাবেন না, আমরাও ভাবি না। চি’রকাল কেউ ক্ষ’মতায় থাকে না। চোখের পলকে বাংলাদেশে ১৫ আ’গস্ট ঘ’টে গেছে। হ’ঠাৎ করে ২১ আ’গস্ট। ক্ষ’মতায় থেকে যে যেখানে আছেন ক্ষ’মতার দাপট দেখাবেন না। যখন ক্ষ’মতায় থাকবেন না প্র’তিপক্ষ প্র’তিশোধ নেবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্বা’ধীনতা চি’কিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্র’ধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

জাতীয় শো’ক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সং’যুক্ত হন তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন, হ’ত্যা হ’ত্যাকে ডেকে আনে। জিয়াউর রহমান যদি ব’ঙ্গবন্ধু হ’ত্যাকাণ্ডে’র সঙ্গে জ’ড়িত না থাকতেন, বঙ্গবন্ধু হ’ত্যার বিচার করতেন তাহলে আরেকটি খু’নি চ’ক্র জিয়াউর রহমানকে হ’ত্যা করতে পারত না বলে আমার বি’শ্বাস।

যে বুলেট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে এ’তিম করেছে সেই বুলেট খালেদা জিয়াকে বি’ধবা করেছে। ব’ঙ্গব’ন্ধুর হ’ত্যাকা’রীদের যে পু’রস্কৃত করেন, হ’ত্যার বি’চার হবে না— এই ই’ডেমনিটি সং’বিধানের প’ঞ্চম সং’শোধনীতে অ’ন্তর্ভুক্ত করেন তাকে বলে বহু দলীয় গ’ণতন্ত্রের প্র’বক্তা। তারপর আবার ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হ’ত্যার ‘চে’ষ্টা।

বিএনপি সরকারের আ’মলে বিভিন্ন হ’ত্যাকা’ণ্ডের কথা তুলে বলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা বিচার ব’হির্ভূত হ’ত্যার কথা বলেন তারা যেন নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখে নেন।

দেশে ক’রোনা ভা’ইরাসের পরি’স্থিতি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে হারে সং’ক্রমণের আ’শঙ্কা বি’শেষজ্ঞরা করেছিলেন, সেই হারে সং’ক্রমণ হয়নি। তারপরও স্বা’স্থ্য বিধি মেনে চলতে শৈ’থিল্য না দেখিয়ে আরও স’তর্ক হতে হবে।

স্বা’স্থ্য খাতে জনবল বাড়ানো হয়েছে, জনবল আরও দরকার। আমাদের করোনা সুরক্ষা সামগ্রী আরও দরকার। কিছু কিছু বেসরকারি মেডিকেল হাসপতালে শিক্ষা ও সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেবার ব্রত নিয়ে সকলকে কাজ করতে হবে।

স্বাধীনতা চি’কিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বিএসএমএমইউ শাখার আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজবীর সভা’পতিত্বে ব’ক্তব্য আলোচনা সভায় আরও ব’ক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডাক্তার কনক কা’ন্তি বড়ুয়া এবং স্বা’চিপের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ইকবাল আর্সলান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. এমএ আজিজ।

ইত্তেফাক