কাউকে গু’লি করে হ’ত্যা করতে না পারলে যা করতেন ওসি প্রদীপ

মা’দক ব্য’বসায়ীদের বাড়িঘরে অ’গ্নিসং’যোগ করা হবে, স’ম্প্রতি প্র’দীপের এমন বক্তব্য সা’মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ হ’ত্যাকা’ণ্ডের মূল অ’ভিযু’ক্ত কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ। প্র’দীপের অ’সংখ্য অ’পকর্মের এক শি’কারের নাম সিনহা।

মানবাধিকার ক’র্মীরা দীর্ঘদিন ধরে প্র’দীপ ক’র্তৃক সং’ঘটিত বিচার ব’হির্ভূত হ’ত্যাকা’ণ্ডের স’মালোচনা করে আসছিলেন।“ব’ন্দুকযু’দ্ধ”,“ক্র’সফা’য়ার” অথবা “শ্যু’টআ’উটের” নামে কক্সবাজারে সং’ঘটিত বি’চার ব’হির্ভূত হ’ত্যাকা’ণ্ডের ৫৬% একাই করেছে প্রদীপ।

‘এই প্রদীপের কল্যানেই এসপি মাসুদের মা’সিক উপার্জন ছিল একজন শিল্পপতির চেয়েও কয়েকগুন বেশি। বে’পরোয়া হয়ে ওঠে শুধু প্রদীপ নয়, উখিয়া ও রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও। এই সকল কর্মকর্তা ক্র’সফা’য়ার আ’তঙ্ক সৃ’ষ্টি করে কোটি কোটি টাকা আদায় করতেন বিভিন্ন ব্য’ক্তিকে টা’র্গেট করে।

এক প’র্যালোচনায় দেখা যায়, এসপি এবিএম মাসুদের আমলেই কক্সবাজারে প্রায় ৩ শতাধিক ক্র’সফা’য়ারের ঘ’টনা ঘ’টে। এর মধ্যে প্রদীপ একাই ২৮৭টি বিচার বর্হি’ভূত হ’ত্যাকা’ন্ডের না’য়ক হিসেবে রা’ষ্ট্রপতি পদকও লুফে নেন। এমন ঘ’টনাও ঘ’টেছে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ ক্র’সফা’য়ারের নে’শায় এতটাই উ’ন্মাত ছিলেন যে, কাউকে গু’লি করে হ’ত্যা করতে না পারলে কুকুর মে’রে নে’শার ঘো’র কা’টান।

আবার কাউকে ক্রস’ফায়া’রে অপর থানার ওসিকে ম্যা’নেজ করতেন। তারই ধারা’বাহিকতায় উখিয়া থানার ভা’রপ্রাপ্ত কর্ম’কর্তা ম’র্জিনাকেও স’ঙ্গী করে বিভিন্ন ক্র’সফা’য়ার না’টক সা’জানোর অ’ভিযোগ রয়েছে।

চোখ ক’পালে ওঠার মতো তথ্য পাওয়া গেছে যে, প্র’দীপসহ অ’পরাপর থানা কর্মকর্তারা একেকটি ক্র’সফায়ার দিয়ে না’টকের ডালা সাজাতেন তাতে এসপি মাসুদ যেমন সায় দিতেন, তেমনি কখনও নিজেও প’রিকল্পনা এঁ’কে দিতেন।

ক্র’সফা’য়ার নি’হতদের অ’ধিকাংশই ছিল কোন না কোন ম’হলের প্র’তিপক্ষ। আবার কেউ নী’রহ গোছের ব্য’ক্তি। ক্র’সফা’য়ার দেয়ার আগে আ’র্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই না’টকীয় কাহিনী তৈরি করা হত।

ক্র’সফা’য়ারের ভ’য় দেখিয়ে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এসপি মাসুদের অতি উ’ৎসাহী এবং এর পেছনে আ’র্থিক সং’শ্লিষ্টতার বিষ’য়টি নি’হিত থাকার ঘ’টনা জে’লার অন্যান্য থানার ভার’প্রাপ্ত কর্ম’কর্তারা অবগত হওয়ায় এই পুলিশ কর্ম’কর্তার দুর্ব’লতা জেনে তারাও মা’দকসহ নানা অ’পকর্মে জ’ড়িয়ে পড়ে।

অনেক নীরহ ব্য’ক্তিকে বাড়ি থেকে তু’লেনিয়ে হ’ত্যা, আবার কখনও মোটা অংকের লেনদেনে প্রা’ণ ভি’ক্ষা দেওয়ায় এসপি মা’সুদের গ্রী’ণ সি’গনাল থাকতো। এভাবে গোটা ক’ক্সবাজার জেলাকে এমন ভী’তিকর পরিবেশ তৈরি করেছিল যে পুলিশ হাত বাড়ালেই চলে আসতো টাকার ব’স্তা।

ন’চেৎ কোন না কোন সড়কের পাশে পড়ে থাকতো ক’থিত ক্র’সফা’য়ারে নি’হত ব্যক্তির লা’শ। এমন ঘ’টনাও ঘটেছে আ’র্থিক লেনদেনে বনিবনা না হওয়ায় ব্যক্তি বি’শেষকে বাড়ি থেকে ধরে প্রা’ক্কালে তার স্বজনদের জানিয়ে আসতো আগে-ভাগেই ক’বর খুঁ’ড়ে রাখার জন্য।

Source: BarishalTimes