কারাগারে থেকেই বড় সুসংবাদ পেলেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ

দীর্ঘ চার বছর পর আবারও স্বামী হ’ত্যার ‘মা’মলাটি দাঁ’ড় করাতে ব্য’র্থ হলেন কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত ‘ব’ন্দুকযু’দ্ধে’ নি’হত আবদুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আকতার (৪০)। ২০১৭ সালে স্বা’মী হ’ত্যার বি’চার চেয়ে মা’মলার এজাহার দায়ের করে উচ্চ আদালতের নি’র্দেশনায়ও তা মা’মলা হি’সেবে ন’থিভু’ক্ত করাতে পারেননি তিনি।

প্রদীপ কুমার দাশ মহেশখালী থানার ভা’রপ্রা’প্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকায় নিজের বি’রুদ্ধে মা’মলা এ’ফআইআর করতে দেয়া নি’র্দেশনাটি আ’ইনি গ্যা’ড়াকলে উচ্চ আদালতেই আ’টকে দেন। স’ম্প্রতি সাবেক সেনা কর্তকর্তা সিনহা হ’ত্যার ঘ’টনায় ওসি প্রদীপসহ সাত পু’লিশ স’দস্য কা’রান্তরীণ হওয়ার পর আশায় বু’ক বেঁধে বুধবার (১২ আগস্ট) ত’ৎকালীন মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ ও পাঁচ পুলিশ ক’র্মকর্তাসহ ২৯ জনের বি’রুদ্ধে সা’ত্তার হ’ত্যার অ’ভিযোগ এনে একটি এ’জাহার দা’খিল করেন হামিদা।

মহেশখালীর সিনিয়র জু’ডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আদালতের বি’চারক আব্বাস উদ্দীনের আদালত নি’হত সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আকতারের দা’য়ের করা এ’জাহারটি আ’মলে নিয়ে ব’ক্তব্য শুনে দী’র্ঘ প’র্যালোচনার পর তা মা’মলা হিসেবে নিতে অ’স্বীকৃতি জানিয়ে ফে’রত দিয়েছেন।

আ’দালত জানিয়েছেন, এ সং’ক্রান্ত ২০১৭ সালে উচ্চ আদালতের নি’র্দেশনার আলোকে মা’মলাটি এ’জাহার হিসেবে এখান থেকে নেয়া যাচ্ছে না।

সাত্তার হ’ত্যাকা’ণ্ডকে কে’ন্দ্র করে চার বছর আগে পুলিশের পক্ষে অ’জ্ঞাতনামা আ’সামি দেখিয়ে দায়ের করা মা’মলাটি ত’দন্তের দা’য়িত্ব সি’আইডিকে দেয়া হয়েছে। চা’ঞ্চল্যকর মা’মলাটি সি’আইডির এএ’সপি ম’র্যাদার একজন ক’র্মকর্তাকে ত’দন্তের দা’য়িত্ব দেন বি’চারক।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে মহেশখালীর সিনিয়র জু’ডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’ব্বাস উদ্দীন এ আদেশ দেন বলে জানান বা’দীর আইনজীবী মো. শহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, আবদুস সাত্তার হ’ত্যায় দা’য়ের করা ফৌজদারি দ’রখা’স্তটি আ’মলে নিতে অ’পারগতা জানিয়েছেন আদালতের বি’চারক আব্বাস উদ্দিন। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদা’লতে দা’য়েরকৃ’ত রি’ট অ’নিষ্প’ত্তি অ’বস্থায় রয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) হা’মিদা আক্তারের দা’য়েরকৃত ফৌ’জদারি দর’খা’স্তে ম’হেশখালীর ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান ফেরদৌস, থা’নার তৎ’কালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই হারুনুর রশীদ, এসআই ইমাম হোসেন, এএসআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই শাহেদুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিনসহ ২৯ জনকে আ’সামি করা হয়েছিল।

হামিদা আক্তার জানান, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে ফেরদৌস বা’হিনীর স’হায়তায় হো’য়ানকের ল’ম্বাশিয়া এলাকায় তার স্বামী হো’য়ানক পূর্ব মা’ঝেরপাড়ার মৃ’ত নুরুচ্ছফার ছেলে আবদুস সাত্তারকে হ’ত্যা করা হয়। ওই সময় এ ঘ’টনায় থা’নায় মা’মলা না নে’য়ায় উচ্চ আদালতের শ’রণাপন্ন হন তিনি। রি’ট পি’টিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে ‘ট্রি’ট ফর এ’ফআইআর’ হি’সেবে গণ্য করতে আ’দেশ দেন বি’চারক। সেই আ’দেশের আ’লোকে তিনি একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজারের পুলিশ সু’পারকে লি’খিত দ’রখাস্ত দেন। কিন্তু পুলিশ আ’বেদন আ’মলে না নিয়ে উচ্চ আ’দালতের আদেশ স্থ’গিত চেয়ে আ’বেদন করে। আ’দালত আ’গের আদেশ বা’তিল করে পুনরায় শু’নানির কথা বলেন।

হামিদা আক্তার বলেন, “আমি চ’রমভাবে হ’তাশ হয়েছি। স্বা’মীর মৃ’ত্যুর পর অ’র্ধাহার-অ’নাহারে দিন কা’টছে। উ’চ্চ আদালতে যাওয়া অ’নেক টাকার বিষয়, তাই যেতে পারছি না। সিনহা হ’ত্যায় ওসি প্রদীপ কা’রাগারে থাকায় আশা ক’রছিলাম নি’ম্ন আদালতে আমার স্বা’মী হ’ত্যার অ’ভিযো’গটি মা’মলা হিসেবে ন’থিভুক্ত করে বিচারের পথে হাঁ’টবে। কিন্তু আ’ইনি গ্যা’ড়াকলে আমার আ’শায় ‘গু’ড়েবালি’। যদি সু’যোগ হয় আ’বারও উচ্চ আদালতে যাব। না পারলে আল্লাহর ওপর ভ’রসা করে স্বামী হ’ত্যার বি’চারের অ’পেক্ষা করতে হবে।”

অন্যদিকে পুলিশ বলছে, নি’হত আবদুস সা’ত্তার অ’স্ত্র ব্য’বসায়ী ছিলেন। তাই ব’ন্দুকযু’দ্ধে তার মৃ’ত্যুর পর পরিবারের দা’য়ের করা এ’জাহারটি থানায় মা’মলা হিসেবে নিতে অ’স্বীকৃতি জানিয়েছিল পুলিশ

সুত্রঃ জাগোনিউজ২৪