রুসাবা সুলতানা রাদিতা আপুর ওয়াল থেকে- পোষ্টটি সকল বিবাহিত ভাই-বোনদের পড়া উচিৎ

Rushaba Sultana Radita আপুর ওয়াল হতে- জুন ৯,২০১৯ এ আমার আ’ব্দুল্লাহ হারুন ( Adnan Abdullah ) নামের ছেলের সাথে বিয়ে হয়। পরিবার থেকে বিয়েটা দেয়া হয়। arrange marriage ছিল। কিন্তু বিয়ের সাড়ে তিন মাসে জানতে পারি যে সে আমার বিয়ের আরও এক বছর আগে থেকে বি’বাহিত, এই ফারিয়া মাহাজাবিন (faria mahajabin) মে’য়ের সাথে।

পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেছে। তারপর আমার পরিবার আমাকে তার বাসা থেকে নিয়ে যায়। কি’ন্তু, আমার শ’শুর বারি আমাকে ভালবাসার কথা বলে আমাকে আমার মা’র বাসা থেকে নিয়ে যায়।

তারা আমাকে এই কথা দেয় যে, তার প্রথম স্ত্রী’র সাথে তারা তা’লাক করিয়ে দিবে। আমার জামাইও কথা দেয় যে সব ছে’ড়ে দিবে। আমিও বি’শ্বাস করি। কি’ন্তু সে তার প্রথম স্ত্রীর সাথে যো’গাযোগ চালিয়েই যায়। তারপর আমি আ’রেকটিও তথ্য জা’ন্তে পারি যে তার আরেকটি প্রে’মিকাও রয়েছে।

প্রে’মিকার ছবি আছে কিন্তু অ’শ্লিল ছবি আমার জা’মাইর সাথে)হ্যা, এসব জা’নার পর অনেক ঝ’গরাঝা’টি হয়। আমি অনেক গা’লাগা’লি করি এবং আমার গা’লাগা’লি করাটা কি স্বা’ভাবিক ছিল না? আপনারা কি করতেন? যাই হোক, এর জন্য আমাকে এভাবে সে অমা’নুশের মত মে’রেছে।

আমি এর মধ্যে গ’র্ভবতী হয়ে যাই। তারপর মনে হয় তার অ’ত্যাচার আরও বেরে যায়। আমি তার প্রথম স্ত্রী’কে যানাই যে আমি মা হতে চলেছি। আর আমার জা’মাই তাকে বলত আমি মি’থ্যা বলছি। পে’ট যখন ফু’লে উথে, তখন আমি তার প্রথম স্ত্রী’কে আমার ছবি দেই, তখন সে তাকে প্রশ্ন করলে বলে, আমার নাকি ৪-৫ জনের সাথে স’ম্পর্ক আছে, কার বা’চ্চা জানে না।

বা’চ্চা হয়ে যাবার পর, তাকে বলে তার নাকি আমার বা’চ্চাকে পছ’ন্দ না, ভাল লাগে না দেখতে। গ’র্ভবতীকা’লীন সময় শুধু মা’র খেয়েছি। একদিনের জ’ন্যেও শা’ন্তি দেয় নি। আমি এভাবেও বলেছি, “বিয়ে আর গ’র্ভবতীকা’লীন সময়, একটা মেয়ের জীবনের সবচেয়ে জ’রুরী সময়। তুমি কেন এই সম’য়গুলো ন’ষ্ট করলে?

আমার খুব ক’ষ্ট হতো। তাকে গ্র’হন করার জন্য পরিবার আমার কাছ থেকে চলে যায়, যে আমি ওর মত খা’রাপ লো’কের কাছে গিয়েছি। তাদের কথা শুনি নি। আমি আমার ৯ মা’সের গ’র্ভবতীকা’লীন সময় পু’লিশের কাছে যাই, কারন, তখনও সে আমাকে খুব খা’রাপ ভাবে মে’রেছিল, ওর বাসা থেকে কেউ আ’সত না ধ’রতে।

সে মে’রেই যেত। আমি একা ছিলাম, পু’লিশ থা’নায় নিয়েছিলাম ঠিকই কি’ন্তু আবার সাথে নিয়ে আসি। এত ভালবাসতাম।ভেবেছিলাম, এবার হয়তবা থে’মে যাবে না থামে নি। তা’লাক ততদিনেও হয়নি তার। তা’লাক হয় আমার বিয়ের প্রথম বিবাহ বা’র্ষিকীর দুই দিন আগে। ৭ জুন, ২০২০। যাই হোক সেদিন আমার থেকে খুশি এই দুনিয়ার কেউ ছিল না।

আমি খুব খু’শি ছিলাম। কিন্তু খুশিটা খ’নিকের। তার পরের দিনই আবার যায় ওই মেয়ের কাছে। তারপর আমি প্র’শ্ন করলে বলে, আর কখ’নও যাবে না সব শেষ করে এসেছে। আমি তাই মেনে বসে থাকি। তারপর আমার ডে’লিবারি হয়। ১৭ জুন আমার একটি ফু’টফুটে মেয়ে হয়। রিধিমা। আমি ভেবেছিলাম এবার হয়তবা আমার সুখের দিন এসেছে।

সে আর বি’রক্ত করবে না। হা..হা.. তাও থামে নি। সে আবার গিয়েছে ওই মেয়ের কাছে, যেয়ে বলে, ওর নাকি আমার মেয়েকে ভা’ল লাগে না, সে নাকি দেখে না। আমি রা’গ হয়েছি, সেরকম কিছু বলি নি। মা’ফ চেত শুধু, আর আমি মা’ফ করেই গিয়েছি। লু’কায়িত মোবাইল দিয়ে কথা বলত।

৩ টা পেয়েছি। আমি আমার মা’র বাসায় থাকতে আসি মেয়েকে নিয়ে, তারপর জা’ন্তে পারি, ও তার প্রথম স্ত্রী’র সাথে প্রে’ম করছে। আমি সেই সময় তার বাসায় যাই, এবং তার মো’বাইলটা চাই, দিবে না বল্লে আমি ব’কাঝ’কা শুরু করি, এক সময় হা’তাহা’তি লেগে যায়, এবং সে আমাকে অ’মানুশের মত মারে, এবং বলে, সে তার প্রথম স্ত্রী’কে ছারবে না, সে এমন করতেই থাকবে।

সে আমা’কে চায় না, আমি কেন যাই তার কাছে? তার প্রশ্ন। আমাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। আমি আমার মা’র বাসায় চলে আসি। আমার প্রশ্ন, যদি ছারতেই হত, তাহলে এতকিছু কেন হলো? আমার জীবনটা এমন করার অ’ধিকার কে দিয়েছিল তাকে?