ভাইয়ের সাথে এই ক্রিকেটারদের স’ম্পর্ক কেমন?

প্রিয় ক্রিকেট তারকাদের খুটিনাটি বিষয় জানতে ভক্তদের থাতে তুমুল আগ্রাহ। জানতে চান তাদের ব্যক্তি জীবন সম্পর্কেও। এবার জেনে নিন খ্যাতিমান এই ক্রিকেট তারকাদের আপন ভাইদের সাথে স’ম্পর্ক কেমন।

বিরাটের সঙ্গে বি’কাশের স’ম্পর্ক ভালো। দু’জনের কাজের মধ্যে মিল না থাকলেও মা’নসিক দূ’রত্ব নেই। তা সে বি’রাট যতই এখন ভারত অ’ধিনায়ক হন না কেন। বি’রাটও পারিবারিক ব’ন্ধন স’ম্পর্কে থাকেন স’চেতন। বিরাটের সাথে তার বিরাটের স’ম্পর্ক খুবই মধুর।

মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মোরসালিন বিন মুর্তজা:মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে সবচেয়ে সফল ওয়ানডে অধিনায়ক। ২০১৪ সালে মাশরাফি নেতৃত্বভার নেয়ার পর থেকে বদলে যেতে শুরু করে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ ঠাঁই করে নেয় শ’ক্তিশালী একটি ক্রিকেট জাতি হিসেবে। বর্তমানে তিনি নরাইলবাসীর এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাশরাফি ক্রিকেটে এবং রাজনীতিতে যেভাবে দেশের মানুষকে ভালোবাসেন ঠিক পারিবারিক ব’ন্ধন স’ম্পর্কে থাকেন স’চেতন। তার ছোট ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক খুব মধুর।

রোহিত শর্মা ও বিশাল শর্মা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হিটম্যান নিজস্ব জায়গা করে ফেলেছেন। গত বছর ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপে পাঁচ সেঞ্চুরি করে গড়েছেন নজির। এক দিনের ক্রিকেটে তিনবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। যা রেকর্ড। এই ফরম্যাটে ২৬৪ রানের শিখরেও তিনি। কিন্তু, তার এক ভাইও আছে, যার নাম শোনাই যায় না কার্যত।

রোহিতের সেই ভাইয়ের নাম বিশাল। রোহিতের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো। বিশাল ইনস্টাগ্রামে প্রবল সক্রিয়। তার কাজের ক্ষেত্রে সাহায্যও করেন রোহিত। দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক যে ভালো, তা বিশালের তোলা ইনস্টাগ্রাম ছবিতে সপরিবারে রোহিতের উপস্থিতিতেই প্রতিফলিত।

যুবরাজ সিংহ ও জোরাবর সিংহ। সাদা বলের ক্রিকেটে যুবরাজ চি’হ্নিত ম্যাচ-উইনার হিসেবে। তার পকেটে রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০১১ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হয়েছিলেন যুবি। শুধু বাইশ গজেই নয়, ক্যা’নসারকে হারিয়ে যুবির মাঠে ফেরাও অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার।

সৌরভ গাঙ্গুলি ও স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। গাঙ্গুলি বাড়ির মহারাজ ও রাজ। দাদা স্নে’হাশিসকে দেখেই ক্রিকেটে আগ্রহ বেড়েছিল সৌরভের। বাঁ-হাতে ব্যাট করতে শুরু করেন তিনি। আবার দাদার জায়গাতেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অ’ভিষেক হয়েছিল সৌরভের। র’ঞ্জি ফা’ইনালে ইডেনে অভিষেকে ছোট্ট ইনিংসে নজরও কেড়েছিলেন।

স্নে’হাশিস বাংলার হয়ে বছর দশেক ঘরোয়া ক্রিকেটে দাপটে খেলেছেন। এখন তিনি ক্রিকেট অ্যা’সোসিয়েশন অফ বে’ঙ্গল (সিএবি)-র সচিব। আর ভারতের সফলতম ক্যা’প্টেনদের অন্যতম সৌরভ এখন বোর্ড প্রেসিডেন্ট। তার আগে সিএবি-র প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ক্রিকেটার জীবনের মতো প্রশাসক হিসেবে কেরিয়ারেও তিনি যথেষ্ট উ’জ্জ্বল।