গায়েবি হা’মলা ও বাড়িঘর পু’ড়িয়ে দেওয়ার হু’মকি দেন ওসি প্রদীপ

পুলিশের গু’লিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ’বসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নি’হতের ঘ’টনায় আগেই ক’ক্সবাজারের টে’কনাফ থানা থেকে প্র’ত্যাহার হন ভা’রপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

গতকাল আদালতে আ’ত্মসম’র্পণের পর তাকে কা’রাগারে পা’ঠানো হয়েছে। তার একটি ভিডিও গত ২৫ জুলাই থেকে সা’মাজিক যো’গাযো’গ মাধ্যমে ভেসে বে’ড়াচ্ছে। এই ভিডিওতে ওসি প্রদীপ বলেন, ‘টে’কনাফের প্র’তিটি পাড়া-মহ’ল্লার ই’য়াবা কা’রবা’রিদের গ্রে’ফতার করা হবে।

যাদের পাওয়া যাবে না, তাদের ঘ’রবাড়ি, দো’কানপাট, যা’নবাহন স’মূলে উ’ৎপাটন করা হবে। তাদের বাড়িতে গা’য়েবি হা’মলা হবে। কোনো কোনো বাড়ি ও গাড়িতে গা’য়েবি অ’গ্নিসংযো’গও হতে পারে।

ওসির এই ভী’তিকর ভিডিও বার্তা নিয়ে ক’ক্সবাজারে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় সে সময়। স্থা’নীয় একটি অ’নলাইন টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ‘আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে টে’কনাফ উপজেলাকে মা’দকমু’ক্ত ঘোষ’ণা করার নি’মিত্তে মাননীয় পুলিশ সুপার ম’হোদয়ের নির্দেশে আমরা প্রতিটি ইউনিয়নকে দুটি ভাগে ভাগ করেছি এবং প্রতিটা ইউনিয়নে আপনারা জানেন যে- ৯টি করে ওয়ার্ড রয়েছে।

আমরা কোনোটাতে ৪টি, কোনোটাতে ৫টি করে দুটি বি’ট করেছি এবং প্রতিটা বিটে একজন পুলিশ সাব-ই’ন্সপেক্টর, একজন এ’এসআই এবং ১০ কন’স্টে’বলের নে’তৃত্বে আমরা একটি টিম গঠন করেছি।

আমরা নি’র্দেশনা দিয়েছি- প্রতিটি পাড়া-ম’হল্লায় যে সব ই’য়াবা কা’রবারি রয়েছে ওদের গ্রে’ফতার করতে হবে। গ্রে’ফতার করার পর ওদের বি’রুদ্ধে শ’ক্ত ব্যবস্থা এবং ক’ঠিন ব্য’বস্থা নেওয়া হবে।

যদি তাদের পাওয়া না যায়, তাহলে তারা যেখানে ই’য়াবা বিক্রি করে, ওদের ঘর-বাড়ি, ওদের দোকানপাট বা যে সব যানবাহনের মাধ্যমে তারা ই’য়াবা পা’চার করে, ওই সব যা’নবাহনকে সমূ’লে উৎ’পাটন করতে হবে।

ওই সব বাড়িতে গা’য়েবি হা’মলা হবে, কোনো কোনো বাড়িতে গা’য়েবি অ’গ্নিসং’যোগ হবে এবং কোনো কোনো গাড়িতে গা’য়েবি অ’গ্নিসং’যোগও হতে পারে। এ বিষয়টা লক্ষ্য করে আমরা একেবারে যেমন কোনো একটি মানুষের শ’রীরে ক্যা’ন্সার হওয়ার পরে যেমন ওই অংশটুকু একেবারে কে’টে ফেলে দেই, আমরা এখন প্রতিটি পাড়া-মহল্লা থেকে ই’য়াবা কা’রবারি’দের একেবারে স’মূলে উৎ’পাটন করার জন্য একটি কা’র্যক্রম গ্রহণ করেছি।

ইতিমধ্যে আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা এ লক্ষ্যে সাবরাহা কাজ করেছি গতকাল। আজকে হাবিলছড়া ইউনিয়নে জিয়াউদ্দিন মামুনের বাড়িতে গা’য়েবি হা’মলা হয়েছে এবং গা’য়েবি আ’গুনও ধরেছে। প’রিপূর্ণ’ভাবে ই’য়াবা নি’র্মূলের জন্য যতটুকু শ’ক্ত হওয়া প্রয়োজন, যা যা করা প্রয়োজন, আমি টে’কনাফবাসীর জন্য সব কাজ করে যাব।

ই’তিমধ্যে আমরা, আপনারা জেনে থাকবেন যে কয়েকজন মা’দক সে’বনকারীকে গ্রে’ফতার করেছি, ওদের জি’জ্ঞাসাবাদে- ওরা কার কাছ থেকে ই’য়াবা কিনেছে? ইয়া’বার উ’ৎস কোথায়?

ওটা জেনে তাদের গ্রে’ফতার করেছি। ওদের বি’রুদ্ধে অ’নতিবি’লম্বে অ’ত্যন্ত শ’ক্ত ব্য’বস্থা আমরা নেব। ওরা যে বাড়িতে থেকে ই’য়াবা ক্র’য় করবে, ওই বাড়িকে সমূলে উ’ৎপাটন করে দেব।

অর্থাৎ কোনো ই’য়াবা কা’রবারি ছাড় পাবে না। আমরা যখন আগে বলতাম যে- বাদ যাবে কোনো শিশু। ওই স্লো’গানকে সামনে রেখে আমরা বলছি- ছাড় পাবে না কোনো মা’দক কা’রবারি। টে’কনাফে একজন মা’দক কা’রবারিও ছাড় পাবে না।

আমরা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো টেকনাফ উপজেলাকে একদম ই’য়াবা মুক্ত একটি মা’দকমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করার জন্য, যা যা করা প্র’য়োজন সব কা’র্যক্রম গ্রহণ করেছি, ‘আমরা ইতিমধ্যে এই কা’র্যক্রমের অংশ হিসেবে বি’ভি’ন্ন জায়গায় কাজ শুরু করেছি এবং তা অ’ব্যাহত থাকবে।’

তথ্যসূত্রঃ BdPratidin