ধোনি না পন্টিং, আফ্রিদির চোখে সেরা কে?

অস্ট্রেলিয়ার টানা তিন বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন রিকি পন্টিং। এর মধ্যে আবার দুবারের অধিনায়কও তিনি। ২০০৩ ও ২০০৭ বিশ্বকাপে পন্টিংয়ের নেতৃত্বেই দুটি বিশ্বকাপ জয় করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ১৯৯৯ সালে স্টিভ ওয়াহর নেতৃত্বাধীন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি।

অন্যদিকে মহেন্দ্র সিং ধোনিও ভারতকে দুটি বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন। যার একটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ, অন্যটি টি-েটোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে এসেই বাজিমাত করেছিলেন ধোনি। আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত। ২০১১ সালে ঘরের মাঠে ভারতকে বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

সুতরাং, পন্টিং আর ধোনির সঙ্গে তুলনা করতে গেলে কে এগিয়ে থাকবেন? পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদির মতে পন্টিংয়ের চেয়ে এগিয়ে ভারতের ধোনিই। কেন? সে যুক্তিও অবশ্য তুলে ধরেছেন সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক।

টুইটারে সমর্থকদের সঙ্গে শহিদ আফ্রিদি একটি প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করেন। সেখানেই এক সমর্থক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘পন্টিং এবং ধোনির মধ্যে কাকে আপনি সেরা অধিনায়ক মনে করেন?’

জবাবে সাবেক পাকিস্তানি অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি পন্টিংয়ের চেয়ে ধোনিকেই এগিয়ে রাখবো। কারণ, ধোনি তারুণ্য দিয়ে পুরো একটি দলকে গড়ে তুলে এরপর সাফল্য অর্জন করেছিলেন।’

ক্যারিয়ারে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৫০টি ওয়ানডে খেলেছেন ধোনি। এর মধ্যে তার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ স্কোর হচ্ছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৮৩। এছাড়া ধোনিই একমাত্র অধিনায়ক, যিনি ক্রিকেটের সব ফরম্যাটের সর্বোচ্চ শিরোপাগুলো জয় করেছেন। ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি- সবগুলোই।

এমনকি তিনি টেস্টে ভারতকে র‌্যাংকিংয়ে এক নম্বরেও তুলে এনেছিলেন। তবে ২০১৪ সালে ক্যারিয়ারের ইতি টানেন ধোনি। খেলেছেন মোট ৯০টি টেস্ট। রান করেছেন ৪৮৭৬। গড় ৩৮.০৯ করে।

আফ্রিদিকে এক সমর্থক জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি যাদের বোলিং করেছেন এদের মধ্যে সেরা ব্যাটসম্যান কে ছিলেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মারকুটে ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স।’