ফেনসিডিলসহ গ্রে’প্তার ছাত্রলীগ নেতার মু’ক্তির দাবিতে সড়ক অ’বরোধ

ব্রা’হ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ (৩৫) ও তার সহযোগী এনামুল হক নামে এক যুবককে মঙ্গলবার বিকেলে ছয় বোতল ফে’নসিডিলসহ আ’টক করেছে সরাইল থানা পুলিশ। আ’টকের পর পুলিশের ওপর হা’মলাও করেন মাসুম বিল্লাহ। এ ঘ’টনায় সরাইল থানায় মাদক বহন ও পুলিশের ওপর হা’মলার অ’ভিযোগে পৃ’থক মা’মলা হয়।

এদিকে মাসুম বিল্লাহকে গ্রে’প্তারের প্র’তিবাদ ও তার মু’ক্তির দাবিতে বুধবার দুই স্থানে মহাসড়কে অবরোধের সৃষ্টি করা হয়। ওই নেতার অনুসারিরা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রা’হ্মণবাড়িয়ার ঘাটুরা ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইলের কুট্টাপাড়া মোড়ে অ’বরোধের সৃষ্টি করে। ঘাটুরায় টায়ার জ্বা’লিয়ে প্রতিবাদ করা হয়। কু’ট্টাপাড়া মোড়ে অ’বরোধ করা হলে যানবাহন আ’টকা পড়ে। দুই স্থানেই পুলিশের হ’স্তক্ষেপে প’রিস্থিতি স্বা’ভাবিক হয়। এছাড়া প্রেস ক্লাবের সামনে মা’নববন্ধন করতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে স’ম্ভব হয়নি।

মো. মাসুম বিল্লাহ নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর রাজনৈতিক উ’পদেষ্টা হিসেবেও পরিচয় দিতেন। মাসুমের বি’রুদ্ধে আরো তিন মা’মলা রয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা জানান, সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক উ’পদেষ্টা হিসেবে কোনো ধরনের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট নেই। মাসুম বিল্লাহ এমনিতেই এটা বলে বেড়াতেন। তিনি আরো জানান, কেউ অ’পরাধ করলে সেটার তো আইনগত ব্য’বস্থা নেওয়া হবেই।

অবশ্য মাসুম বিল্লাহ’র অনুসারীরা দাবি করেছেন, তাঁদের নেতাকে ফাঁ’সিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাসুম বিল্লাহ মা’দক গ্রহণ বা বি’ক্রির সঙ্গে কোনোভাবেই জ’ড়িত নয়। অ’ভিযানে থাকা এএসআই আলাউদ্দিনের বি’রুদ্ধে বিভিন্ন অ’ভিযোগ আছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

খোঁ’জ নিয়ে জানা গেছে, আসন্ন কোর’বানির ঈদকে সামনে রেখে টহল পুলিশের ত’ল্লাশিতে পড়েন মাসুম বিল্লাহ। সরাইল থানার এএসআই মো. আলাউদ্দিন সঙ্গীয় এক কন’স্টেবল নিয়ে মাসুমকে ত’ল্লাশি করতে গিয়ে লা’ঞ্চিত হন। তবুও ওই পুলিশ অফিসার মাসুমের দেহ ত’ল্লাশি থেকে পি’ছপা হননি। এক পর্যায়ে তার কাছে থাকা ছয় বোতল ফে’নসিডিল উ’দ্ধার করা হয়। এ অবস্থায় মাসুম আবার পুলিশ কর্মকর্তা আলাউদ্দিনকে মা’রধর করেন।

এক পর্যায়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে মাসুম বিল্লাহ সরাইল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মাসুমকে থানায় নেওয়ার পর পরই সরাইলের একাধিক জনপ্রতিনিধি পুলিশকে নানাভাবে চা’প দিতে থাকেন তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। তবে শেষ পর্যন্ত এএসআই আলাউদ্দিন বাদী হয়ে সরাইল থা’নায় মা’মলা দায়ের করেন।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন শোভন জানান, এটি ষ’ড়য’ন্ত্রমূলক মা’মলা। মাসুম বিল্লাহ এ ধরনের ঘ’টনার সঙ্গে কোনোভাবেই জ’ড়িত নন। তাঁকে ফাঁ’সিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জেলা ছাত্রলীগের ওই নেতা দাবি করেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন জানান, ঘা’টুরায় অবরোধকারীদের খোঁজে বের করা হচ্ছে। সরাইল থানার ওসি নাজমুল আহমেদ জানান, মাসুম বিল্লাহকে আ’দালতে পাঠানো হয়েছে।