যে অ’পরাধে মৃ’ত্যুদন্ড হতে পারে সাহেদের

বহুমাত্রিক জা’লিয়াতিতে গ্রে’প্তার রি’জেন্ট হাসপাতালের স্ব’ত্বাধিকারী ও রিজেন্ট গ্রু’পের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম অ’পরাধ প্র’মাণিত হলে তার মৃ’ত্যুদ’ণ্ডও হতে পারে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কো’র্টের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

তিনি বলেন, সাহেদের বি’রুদ্ধে বিশেষ ক্ষ’মতা আ’ইনে জা’ল মু’দ্রার একটি মা’মলা করেছে র‌্যাব।

এটি প্র’মাণ করতে পারলে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড বা যাব’জ্জীবন বা ১৪ বছরের সশ্রম কা’রাদণ্ড হতে পারে তার। এছাড়া অনকেগুলো প্র’তারনার মা’মলা রয়েছে।

সেখানে দ’ণ্ডবি’ধির ৪২০ ধারায় সর্বোচ্চ সাত বছরের সা’জা হতে পারে সাহেদের।

খুরশিদ আলম খান বলেন, স্বা’স্থ্য অ’ধিদপ্তরের স’ঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতালের যে চু’ক্তি হয়েছে তার বৈধ’তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে অ’নুসন্ধা’নের জন্য দু’দক টিম গঠন করেছে।

চু’ক্তি অ’বৈধভাবে হয়ে থাকলে জ’ড়িতদেরকে খোঁ’জে বের করা হবে। আর এই চু’ক্তির ফলে সরকারের কোন টাকা ক্ষ’তি হয়েছে কি না সেটা দেখা হবে।’

প্রয়োজনে স্বা’স্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি এবং আরও উর্ধ্ব’তনদেরকে জি’জ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আর কোন কিছু উ’দ্ঘাটন হলে সবার বি’রুদ্ধে অ’পরাধের ধরন অনুযায়ী মা’মলা হবে। তিনি আরও বলেন, শাহেদের অ’বৈধ স’ম্পদের উৎস স’ম্পর্কে জানতে পৃথক অনুস’ন্ধান কমিটি গঠিত হয়েছে।

উ’ৎস যদি জ্ঞা’ত আয় বহি’র্ভুত হয় বা উৎসের সঙ্গে আয়ের মিল না থাকলে মা’মলা হবে। সেখানে কোন মা’নিলন্ডারিং এবং কাউকে ঘু’ষ দেয়ার প্র’মাণ পেলে যাকে দিয়েছে তাকেসহ মা’মলা হবে।