ইরানকে প্রতিরোধে ইরাকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বসাবে যুক্তরাষ্ট্র

হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা জোরদার করতে ইরাকের কয়েকটি ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা স্থাপন করতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ক্ষেত্রে ইরাকের কাছে অনুমতিও চাওয়া হয়েছে বলে আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে। এর আগে জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার জবাবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এ পর্যন্ত ৬৪ সেনা মস্তিষ্কে আঘাতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার পেন্টাগন এমন খবর দিয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার বলেন, এ বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই। বাগদাদ সরকারের সঙ্গে আমরা এই কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে নিতে চাই। তিনি যখন এমন কথা বলছিলেন, তখন সেখানে মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল মার্ক মিল্লিই উপস্থিত ছিলেন। তারা দুজনেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন, ইরাকে মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়াতে তারা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা স্থাপন করতে চান।

এসপার বলেন, ইরাকে মার্কিন বাহিনীর দায়িত্বে থাকা কমান্ডাররা মনে করছেন, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দরকার। আমরা কমান্ডারদের সমর্থন জানাই। কিন্তু কোন যুক্তিতে ইরাকি সরকার তাদের এই অনুরোধ গ্রহণ করবেন, তা পরিষ্কার করেননি তিনি। এ নিয়ে ইরাক সরকারের তরফে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিতে হাজার পাঁচেক মার্কিন সেনা বাগদাদে অবস্থান করছে। কিন্তু কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর দুই দেশের সম্পর্ক আগের তুলনায় নড়বড়ে হয়ে গেছে। বিদেশি বাহিনীকে তাড়াতে ইতিমধ্যে আভাস দিয়েছে ইরাকি সরকার।

যদিও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।ইরান যখন আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে হামলা চালায়, তখন সেখানে কোনো প্যাট্রিয়ট কিংবা অন্যকোনো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। মিল্লিই বলেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ১০ হাজার পাউন্ড অস্ত্র ও দুই হাজার পাউন্ড উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক ওয়ারহেড ছিল।যুগান্তর