জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে দেউলিয়া আওয়ামী লীগ; বললেন মীর সরফত আলী সপু

আ.লীগ সরকারের দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মাগুড়া জেলা বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ পণ্ড করতে পুলিশ ও সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবা বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন- “আওয়ামী লীগ এখন একটি জনবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হয়েছে। সেই কারণেই তারা জনগণের উপর উচ্চ দ্রব্য মূল্য এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্ধিত মূল্য চাপিয়ে দিয়েছে। তারা বিরোধী দলের মত প্রকাশের ন্যূনতম স্থানটুকু রাখেনি। জনগণের জন্য যদি তাদের ন্যূনতম মায়া থাকত তাহলে তারা বর্ধিত দ্রব্যমূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে বিএনপির আজকের এই প্রতিবাদ সমাবেশে এমন নির্লজ্জ ভাবে হামলা করত না।”
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বঘোষিত এই সমাবেশে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এবং পুলিশের যৌথ হামলা ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন তার মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের মধ্যে রয়েছেন- মাগুরা জেলা ছাত্রদল সভাপতি আব্দুর রহিম, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তিতাস, মাগুরা সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন রানা, রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফারাবী আমিন, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রজব আলী, আশঙ্কাজনক আবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি তুহিন বিশ্বাস এবং মাগুরা সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সাজুকে।
এছাড়াও পুলিশের হামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন- মাগুরা জজ কোর্টের সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, মাগুরা জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট রোকনুজ্জামান, মাগুরা সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান সুমন, শ্রীপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব বদরুল আলম লিটু, মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শাকের হোসেন, মাগুরা সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর সহ অনেকে।